লকডাউনে দিল্লিতে এক মাসের সংক্রমণের হার ২৫ থেকে কমে ৩.৫৮ শতাংশ

অরবিন্দ কেজরিওয়াল (File Photo: IANS)

কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে দিল্লিবাসী। গত এপ্রিলের পর থেকে দিল্লিতে করােনা সংক্রমণের হার নামলে ৩.৫৮ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ২ হাজার ২৬০ জনের শরীরে কৱােনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। কমেছে মৃত্যুর হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দিল্লিতে সব মিলিয়ে করােনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ হাজার ১৩ জন। দিল্লিতে সক্রিয় রােগের সংখ্যা বর্তমানে ৩৩ হাজার ৩০৮ জন, যা গত ১০ এপ্রিলের পর থেকে সবচেয়ে কম। 

মাসখানেক আগে সংক্রমণের হার ছিল দিল্লিতে ২৫ শতাংশ। প্রায় পুরাে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছিল রাজধানীতে। প্রচুর করােনা রােগীর মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। প্রায় এক মাসের মধ্যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে দিল্লির কোভিড পরিস্থিতি। 

এদিকে এবার ক্ষুদ্রান্তে ধরা পড়ল ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালের দুই রােগীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটায় চিকিৎসকরা রীতিমতাে বিস্মিত। শনিবার গঙ্গারাম হাসপাতাল এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে। কোভিড থেকে সুস্থ হওয়া দুই রােগীর ক্ষুদ্রান্তে এই মারণ ছত্রাক ধরা পড়েছে। রােগীদের বায়ােপসি রিপাের্ট চিকিৎসকদের ধন্দ বাড়িয়ে দিয়েছে। 


মূলত সাইনাস, মস্তিষ্ক আর ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়ায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। কিন্তু গঙ্গারাম হাসপাতালে দুই রােগীর ক্ষুদ্রান্তে কীভাবে সংক্রমণ ছড়ালাে তা নিয়ে চিকিৎসক মহলে জোর চর্চা। 

অন্যদিকে ১৮ উর্দুদের টিকাকরণ শনিবার থেকে বন্ধ হয়ে গেল। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, শনিবার থেকে ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাকরণ স্থগিত করা হচ্ছে, কারণ টিকার মজুত ফুরিয়ে গিয়েছে। সেই কারণে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলি বন্ধ রাখা হচ্ছে। 

গােটা দিল্লিবাসীকে টিকা দিতে গেলে ৮০ লক্ষের উপর টিকার ডোজ প্রয়ােজন। কেন্দ্রের উচিত বিদেশ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টিকা কিনে রাজ্যগুলিকে সরবরাহ করা। কারণ এমন অনেক দেশ রয়েছে, যারা প্রয়ােজনের তুলনায় অতিরিক্ত টিকা মজুত করে রেখেছে।