• facebook
  • twitter
Sunday, 1 March, 2026

জরায়ু-মুখের ক্যানসার রুখতে দেশজুড়ে এইচপিভি টিকাকরণ কেন্দ্রের

১৪ বছর বয়সে একটি ডোজ নিলেই শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা তৈরি হয়। এই বয়সে টিকা দিলে ভাইরাসের সংক্রমণের আগেই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

মীনাক্ষী ভট্টাচার্য

দিল্লি, ২৪ ফেব্রুয়ারি– জরায়ুর মুখের ক্যানসার (সার্ভিক্যাল ক্যানসার) প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের জন্য এইচপিভি টিকাকরণ কর্মসূচি চালু করা হবে। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা নিলে এই ক্যানসার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।

Advertisement

স্তন ক্যানসারের পর ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সার্ভিক্যাল ক্যানসার। প্রতিবছর দেশে প্রায় ৮০ হাজার মহিলা এই রোগে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৪২ হাজারের মৃত্যু হয়। এই রোগের প্রধান কারণ হিউম্যান পাপিল্লোমাভাইরাস (এইচপিভি), বিশেষ করে টাইপ ১৬ ও ১৮। এছাড়া টাইপ ৬ ও ১১ ভাইরাসও সংক্রমণের জন্য দায়ী।

Advertisement

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সার্ভিক্যাল ক্যানসার নির্মূলের লক্ষ্যে ‘গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি টু এলিমিনেট সার্ভিক্যাল ক্যানসার’ কর্মসূচি নিয়েছে। সেই সুপারিশ মেনেই ভারত সরকার বিনামূল্যে এই টিকাকরণ শুরু করবে। তবে এটি ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রামের আওতায় নয়, আলাদা ভাবে চালানো হবে।

সরকারি সূত্রের দাবি, ১৪ বছর বয়সে একটি ডোজ নিলেই শরীরে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা তৈরি হয়। এই বয়সে টিকা দিলে ভাইরাসের সংক্রমণের আগেই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। ১৫ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে সাধারণত দু’টি ডোজ এবং ১৫ বছরের বেশি হলে তিনটি ডোজ প্রয়োজন হয়। বাজারে প্রতিটি ডোজের দাম প্রায় ৩,৯২৭ টাকা।

দেশে ‘গারডাসিল-৪’ টিকা তৈরি করে এমএসডি ইন্ডিয়া। টিকাকরণ হবে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির-সহ নির্বাচিত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার পিপিপি মডেলে ‘দ্য ভ্যাকসিন এলায়েন্স: গাভি’ সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে। সরকার অভিভাবকদের এগিয়ে এসে মেয়েদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাঁদের মতে, সুস্থ নারীর লক্ষ্য পূরণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

Advertisement