• facebook
  • twitter
Friday, 16 January, 2026

হায়দরাবাদে বৃষ্টির দাপটে শহর অচল, মুসি নদীর জলে ভেসে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ও সেতু

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রঙ্গারেড্ডি জেলার মীরপেট পুরসভার মিথিলা নগর। সেখানে ঘরে ঘরে জল ঢুকে মানুষ কার্যত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

ছবি: এএনআই

হায়দরাবাদ, ২৭ সেপ্টেম্বর— টানা বৃষ্টিতে ডুবল হায়দরাবাদ। শুক্রবার রাত থেকে লাগাতার ভারী বর্ষণে শহরের একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মুসি নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় চাঁদেরঘাট সেতুর উপর দিয়ে উপচে পড়ে শহরে ঢুকে পড়ে নদীর জল। এর জেরে সেতু বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

প্রচণ্ড বর্ষণে হিমায়ত সাগর ও ওসমান সাগর জলাধারের জলস্তর বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছয়। দু’টি জলাধারের গেট খুলে দেওয়ায় মুহূর্তে প্লাবিত হয়ে পড়ে হায়দরাবাদের নিচু অঞ্চলগুলি। এক রাতে অন্তত এক হাজার মানুষকে ঘরছাড়া হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, আরও বহু মানুষকে সরানো হচ্ছে।

Advertisement

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রঙ্গারেড্ডি জেলার মীরপেট পুরসভার মিথিলা নগর। সেখানে ঘরে ঘরে জল ঢুকে মানুষ কার্যত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদীর জল আরও বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।

Advertisement

উদ্ধারকাজে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করছে। ইতিমধ্যেই মুসারামবাগ এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়েছে জলের তোড়ে। শহরের অন্যতম ব্যস্ততম মহাত্মা গান্ধী বাসস্ট্যান্ডও প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফলে জনজীবন কার্যত থমকে গিয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর আগেই সতর্ক করেছিল, টানা দু’দিন ভারী বর্ষণ চলতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি প্রশাসনকে আগেভাগেই সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেও বৃষ্টির তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা শহর। সাধারণ মানুষ বলছেন, ‘এরকম বন্যা এর আগে খুব কমই দেখেছি।’

Advertisement