• facebook
  • twitter
Friday, 20 March, 2026

ঈদ-উল-ফিতরকে ঘিরে দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

প্রার্থনায় সামিল কোটি কোটি মানুষ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রমজানের শেষ দিনে ‘আলবিদা নামাজ’-এ অংশ নিতে বিভিন্ন প্রান্তে ভিড় জমান মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের জন্য একাধিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ধর্মীয় নেতাদের ঘোষণা অনুযায়ী, চাঁদ না দেখা যাওয়ায় দেশের অধিকাংশ জায়গায় শনিবার ঈদ উদযাপিত হবে। তবে কেরলে শুক্রবারই ঈদ পালিত হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের প্রশাসন জানিয়েছে, ঈদ এবং চৈত্র নবরাত্রি উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাগ মার্চ করা হয়েছে। মসজিদগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ রুখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

Advertisement

রাজধানী দিল্লির উত্তম নগর এলাকাতেও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গিয়েছে। সাম্প্রতিক এক খুনের ঘটনার জেরে ওই এলাকায় উত্তেজনা থাকায় আদালতের নির্দেশে পুলিশ ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উত্তর প্রদেশের মৌ জেলায় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, পুরো এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারিও চালানো হচ্ছে।

Advertisement

অন্যদিকে, বিহারের ভাগলপুর জেলাকে সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ঈদ, ছট এবং রামনবমী—একাধিক উৎসব একসঙ্গে থাকায় প্রশাসন বিশেষ সতর্কতা নিচ্ছে। মক ড্রিলের মাধ্যমে প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হয়েছে।

দক্ষিণ ভারতে হায়দরাবাদের ঐতিহাসিক মক্কা মসজিদ ও চারমিনার চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে জুমাতুল-বিদা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়াও তামিলনাড়ুর মাদুরাই ও কোয়েম্বাটুরে বিপুল সংখ্যক মানুষ বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নিয়েছেন। কর্নাটকের ম্যাঙ্গালুরুতেও প্রার্থনার পর সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, উৎসবকে ঘিরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও প্রশাসনের নজরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। তার ওপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement