অপরাধের আয়কে ভোগ করেছেন জ্যাকলিন, কোর্টে দাবি ইডির

দিল্লি, ৩১ জানুয়ারি– প্রথমে সুকেশের সঙ্গে প্রেম নিয়ে কম যন্ত্রনা ভোগ করেননি তিনি৷ এবার সেই প্রেমিকের তছরুপের টাকা ভোগ করার অপরাধে সাব্যস্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ৷ ২০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় এবার বিপদে পড়তে চলেছেন জ্যাকলিন৷ দিল্লি হাইকোর্টে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে হলফনামা জমা দিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ জানাল ইডি৷ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি,অপরাধের টাকা জেনেশুনে ভোগ করেছেন জ্যাকলিন৷

আর্থিক প্রতারণায় অভিযুক্ত ‘কন-ম্যান’ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জডি়ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী৷ সেই আবেদনের ভিত্তিতে এবার ইডির তরফে আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে অভিযোগের ফিরিস্তি জানানো হল৷ ইডির তরফে আরও বলা হয় যে প্রাথমিকভাবে জ্যাকলিন তাঁর বয়ানে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন৷ এটা বোঝাতে চেয়েছিলেন, যে চন্দ্রশেখর তাঁকে ফাঁসিয়েছে৷ কিন্ত্ত তাঁকে যে ফাঁসানো হয়েছে, এমন কোনও গ্রহণযোগ্য তথ্য তিনি তদন্তের সময় দিতে পারেননি৷

মামলাটির শুনানি ছিল দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি মনোজ কুমার ওরির বেঞ্চে৷ ইডির হলফনামার প্রেক্ষিতে জবাব দেওয়ার জন্য সেই সময় প্রস্তুত ছিলেন না জ্যাকলিনের আইনজীবী৷ এই হলফনামার জবাব দেওয়ার জন্য তিনি আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন৷ আগামী ১৫ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য স্থির করেছে হাইকোর্ট৷


উল্লেখ্য, ইডির তরফে জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে ধরা হয়৷ কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত সবসময় চন্দ্রশেখরের সঙ্গে তাঁর আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি গোপন করেছেন জ্যাকলিন৷ ইডি তরফে বলা হয়, ‘জ্যাকলিন এখনও সত্য গোপন করে যাচ্ছেন৷ চন্দ্রশেখর গ্রেফতার হওয়ার পর জ্যাকলিন তাঁর ফোন থেকে সব ডেটা মুছে ফেলেছিলেন৷ এটা প্রমাণ নষ্ট করার সমান৷ এমনকী তিনি নিজের সমকর্মীদের প্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে বলেছিলেন৷ যেসব প্রমাণ এখনও হাতে এসেছে, তাতে সন্দেহের কোনও অবকাশ থাকে না যে অপরাধের থেকে আয়কে তিনি ভোগ করেছেন, ব্যবহার করেছেন৷