‘শিক্ষক ছাত্রদের ভবিষ্যৎ গড়েন’, শিক্ষক দিবসে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর

PM Modi-CM Suvendu Adhikari Photo-ANI

শিক্ষক দিবসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাত্রসমাজকে বার্তা দিলেন। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে সমাজমাধ্যমে বার্তা দেন তাঁরা। শিক্ষক দিবস শুধুমাত্র একটি বিশেষ দিন নয়, বরং সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানকে সম্মান জানানোর উপলক্ষ। শিক্ষক দিবসে এমনই বার্তা উঠে এলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তাতে। আর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হলো ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা দার্শনিক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনকে। তাঁর জন্মদিনেই দেশে শিক্ষক দিবস পালিত হয়। শিক্ষার মানকে বাড়ানোর কথা বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অঙ্গীকার করেন, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে দেশের শীর্ষস্থানে নিয়ে যাবেন।

 

এদিকে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রী নিয়ে এসেছেন পিএম শ্রী স্কুল। তাতে আধুনিক পরিকাঠামো থেকে শুরু করে পড়ুয়াদের উচ্চমানের শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই একই ধাঁচে রাজ্যে সিএম শ্রী স্কুল গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘শিক্ষক দিবস সমাজে শিক্ষকদের বলিষ্ঠ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার দিন। ডঃ রাধাকৃষ্ণনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোরও দিন এটি।’ জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁর কদিন আগের আলাপচারিতার কিছু মুহূর্তও সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে আদর্শ শিক্ষক, মহান দার্শনিক, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও ভারতরত্ন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও সশ্রদ্ধ প্রণাম বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানই তুলে ধরেন না। বরং তাঁরা অন্ধকারের মাঝে আলোর পথ দেখান, স্বপ্ন দেখতে শেখান এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগান। শিক্ষকের ভালবাসা, শৃঙ্খলাবোধ, অনুপ্রেরণা এবং আশীর্বাদই আগামীর মানুষ ও সমাজকে গড়ে তোলে।’

 

তাছাড়া পড়ুয়াদের মোবাইল থেকে বিরত থাকার কথা বলেছেন নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে। এতে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হচ্ছে ছাত্রসমাজে বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে শিশু পড়ুয়াদের হাতে যাতে মোবাইল ফোন না যায় তার জন্য অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন। তবে এখানেই শেষ নয়, শিক্ষক দিবসে সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘জীবনের পথে মানুষ যতই এগিয়ে যাক না কেন, সেই সাফল্যের নেপথ্যে কোনও না কোনও শিক্ষকের নীরব অবদান সর্বদা জড়িয়ে থাকে। তাঁদের ঋণ কখনই শোধ করা সম্ভব নয়। শিক্ষক দিবসে, জীবন গড়ার কারিগর সেই মহান শিক্ষকদের প্রতি আমি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং অভিবাদন জানাই।’