ভারতে যক্ষ্মার প্রাদুর্ভাব ২০১৫ সালে। রিপোর্ট বলছে প্রতি ১ লক্ষ জনসংখ্যায় ২৩৭ জন যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা থেকে ১৭.৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ২০২৩ সালে প্রতি ১ লক্ষ জনসংখ্যায় ১৯৫ জনে নেমে এসেছে রোগীর সংখ্যা। যক্ষ্মায় মৃত্যু ২০১৫ সালে প্রতি লক্ষ জনসংখ্যায় ছিল ২৮। ২০২৩ সালে প্রতি লক্ষ জনসংখ্যায় সেটা ২২ জনে হ্রাস পেয়েছে। আর্থাৎ ২১.৪ শতাংশ কমেছে। এই তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল।
জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম)-এর অধীনে জাতীয় যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচি (এনটিইপি) ভারতকে যক্ষ্মা মুক্ত করার জন্য উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে। সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এনটিইপি-র আওতায় বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রাজ্য ও জেলার নির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা। যক্ষ্মা আক্রান্ত অঞ্চলে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ ও ডায়াগনস্টিকের ব্যবস্থা, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা, যক্ষ্মা কেস অনুসন্ধান করা, যক্ষ্মা স্ক্রিনিং এবং চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া এর অন্তর্গত।
Advertisement
সেই সঙ্গে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরেকে এর সঙ্গে সংযুক্ত করা। যক্ষ্মা বিষয়ে সচেতনতার জন্য উপজেলা স্তরে মাইক্রো ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাগার উন্নত করা, রোগীদের পুষ্টির জন্য ‘নিক্ষয় পুষ্টি যোজনা’র সম্প্রসারণ করার ক্ষেত্রেও সরকার অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। নিক্ষয় পোর্টালের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের ট্র্যাক করা ছাড়াও, যক্ষ্মা-বন্ধু উদ্যোগের আওতায় যক্ষ্মা রোগী এবং পরিবারের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের অতিরিক্ত পুষ্টি, ডায়াগনস্টিক এবং বৃত্তিমূলক সহায়তা প্রদান করায় উদ্যোগী হয়েছে সরকার।
Advertisement
Advertisement



