শরৎ এল রে: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী জানেন?

Image: IANS

মহালয়ার পর থেকে শুরু হয় দেবীপক্ষ। অমাবস্যার তিথি প্রতিপদ থেকে নবমী পর্যন্ত এই নয়দিন উত্তরপূর্ব ভারত জুড়ে দেবী দুর্গার নটি রূপের পুজো হয়। বাঙালিরা ষষ্ঠী থেকে দেবী দুর্গার আরাধনা করে।

শৈলপুত্রী: নবদুর্গার প্রথম রূপ। শুক্ল প্রতিপদে এই দেবীর পুজো করা হয়। ইনি সতী, ভবানী, পার্বতী ও হৈমবতী নামেও পরিচিত। শৈলপুত্রীর ডান হাতে ত্রিশূল আর বাম হাতে থাকে পদ্ম। মাথায় থাকে অর্ধচন্দ্র। হিমালয় কন্যা শৈলপুত্রী পূর্বজন্মে দক্ষনন্দিনী সতী ছিলেন।

Image: IANS

ব্রহ্মচারিণী: দ্বিতীয়ায় দেবী দুর্গা ব্রহ্মচারিণী রূপে পূজিতা হন। শ্বেত বস্ত্র পরিহিতা, ডান হাতে জপ মালা ও বাম হাতে থাকে কমণ্ডলু। দেবীর আরাধনায় তপস্যা, ত্যাগ, বৈরাগ্য, সংযম বৃদ্ধি পায়।


আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: চন্দনগরের ঘোষ পরিবারের পুজো যেন প্রায় আড়াইশো বছরের ইতিহাস বয়ে নিয়ে চলেছে

চন্দ্রঘণ্টা: শুক্লা তৃতীয়ায় দেবীর রূপ হল চন্দ্রঘণ্টা। তিনি চন্দ্রখণ্ডা, চন্দ্রিকা ও রণচণ্ডী নামেও খ্যাত। দেবীর প্রিয় ফুল পদ্ম এবং প্রিয় রং লাল।

কুষ্মাণ্ডা: শুক্লা চতুর্থীতে কষ্মাণ্ডা রূপে পূজিতা হন এই দেবী। সংস্কৃতে কুমড়োকে বলা হয় কুষ্মাণ্ড। কুমড়ো বলি মায়ের বেশি পছন্দ। দেবী অষ্টভূজা ও ত্রিনয়নী। তিনি সিংহের পিঠে বসে থাকেন আর দেবীর প্রিয় ফুল হল গোলাপ।

Image: IANS

স্কন্দমাতা: কার্তিকের মা হিসেবে তিনি পরিচিত। পঞ্চমী তিথিতে আরাধনা করা হয়। দেবীর ত্রিনয়ন রয়েছে। রয়েছে চারটে হাত। ডানদিকের উপরের হাতে রয়েছেন দেবশিশু কার্তিক। একাহাতে বরাভয় মুদ্রা ও অপর দু’হাতে পদ্ম।

আরও পড়ুন: শরৎ এল রে: শিবপুরের রায়চৌধুরী বাড়ির পুজোয় মায়ের সামনে বসে না ঘট, দেওয়া হত সাদা পাঁঠাবলি

কাত্যায়নী: ষষ্ঠীতে এই দেবীর পুজো হয়। ভাগবতের দশ স্কন্ধে কাত্যায়নী ব্রতের উল্লেখ রয়েছে। এই রূপেই দেবী মহিষাসুর বধ করেছিলেন।

কালরাত্রি: শুক্লা সপ্তমী তিথিতে নবদুর্গার রূপ হল কালরাত্রির। কালকে নাশ করেন বলেই তিনি কালরাত্রি। দেবীর এই রূপ অত্যন্ত হিংস্র ও ভয়ঙ্কর। এই রূপেই দেবী শুম্ভ ও নিশুম্ভকে হত্যা করেন।

মহাগৌরী: নবদুর্গার অষ্টম রূপ হল মহাগৌরী। আশ্বিনের শুক্ল অষ্টমীতে এই দেবীর আরাধনা করা হয়।

মোগসিদ্ধিদাত্রী: এটি নবদুর্গার শেষ রূপ। ইনি মোক্ষদা রূপেও প্রসিদ্ধ। শুক্লা নবমী তিথিতে এই দেবীর পুজো করা হয়। দেবীর পুজোয় অশুভ বিনাশ হয়।

দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/N6g_XzAG6tA?si=mjdIbEi2ud91I0vQ” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>