অটোগ্রাফে কবিতাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই সর্বপ্রথম আভিজাত্য দান করেন!

স্বপনকুমার মণ্ডল

কথায় বলে ‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে’৷ চরিত্রের অপরিবর্তনীয়তায় কথাটি নিন্দার্থে ব্যবহূত হলেও অনেক সময় তা প্রশংসার কারণও বটে৷ বিশেষ করে কবিদের স্বভাবপ্রকৃতিতে তা নিন্দার ছলে প্রশংসাকেই আমন্ত্রণ জানায়৷ কবিও যেখানে থাকুন কেন তিনি কবিতা রচনা করবেন, সেটাই তো স্বাভাবিক ধারণা৷ শুধু তাই নয়, কবিদের ধরেই নেওয়া হয়, ইচ্ছা করলেই তিনি যেকোনো মুহূর্তে কবিতা রচনা করতে পারেন৷ অর্থাৎ কবিদের কাছে কবিতায় উত্তর প্রদানের বিষয়টি কবিতা-অনুরাগীদের কাছে অপ্রত্যাশিত নয়৷ তার ফলে নাছোড় অনুরাগীর পাল্লায় পডে়ই হোক আর স্বতঃপ্রণোদিত সদিচ্ছাতেই হোক, শিল্পী-সাহিত্যিকদের মতো কবিদের লেখনী থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহের সূত্র ধরে ‘কিছু একটা লিখে দিন’-এ তাৎক্ষণিক কবিতা দু-চার ছত্রে অনুরাগীদের মনে উপরিলাভের নির্মল আনন্দ বয়ে আনে৷ সেক্ষেত্রে আসলের চেয়ে সুদের প্রতি দৃষ্টি প্রদানের মতো কবির স্বাক্ষর অপেক্ষা তাঁর কবিতার প্রতি আপনাতেই আকর্ষণ বেডে় যায়৷ শুধু তাই নয়, সেই কবির অবর্তমানে সেই আকর্ষণ মহাকর্ষের মতো উপরের দিকে টানে৷ অর্থাৎ সেই স্বাক্ষর-সংগ্রহকারীর উপরিলাভটি লাভের উপরে লাভ হয়ে ওঠায় তিনি সৌভাগ্যবান হয়ে ওঠেন৷ ফলে অটোগ্রাফের কবিতায় দাতার সূত্রে গ্রহীতার পরিচয়ও সংশ্লিষ্ট হয়ে পডে়৷ শুধু তাই নয়, অন্যদিক থেকে ভাবলে এ যেন কবি তাঁর সম্পদকে রক্ষা করার দায় অনুরাগীর উপরেও ছেডে় দেন৷

আবার যত বড় কবি, তত বেশি অনুরাগী৷ ফলে বড় মাপের কবিদের স্বাক্ষর সংগ্রহের বহর আপনাতেই বেডে় যায়৷ আর সেই সূত্রে বড় কবিদের আব্দারের মাত্রায় অটোগ্রাফে কবিতার সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটে৷ স্বাভাবিকভাবেই এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা উঠে আসে৷ তিনি শুধু তাঁর অনুরাগীদের অজস্র অটোগ্রাফ দেননি, উপরি হিসাবে কবিতাও লিখে দিয়েছেন৷ তাঁর সেই লেখার গুণে সেগুলি রচনা হয়ে উঠেছে৷ শুধু তাই নয়, অটোগ্রাফে কবিতার বিষয়টি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ সচেতন হওয়ামাত্র তাঁর সেই কবিতাগুলির একটি সংকলনও প্রস্তুত করেছিলেন যা ‘লেখন’ (১৯২৭) নামে প্রকাশিত হয়৷ সেটি আদ্যোপান্ত তাঁর হস্তাক্ষরের প্রতিলিপিরূপে মুদ্রিত হয়েছিল৷ এরকম কবিতা-সংকলনের দোষ-গুণ সম্পর্কে কবিই ‘লেখন’-এর ভূমিকায় জানিয়েছেন : ‘এই লেখনগুলি শুরু হয়েছিল চীনে জাপানে৷ পাখায় কাগজে রুমালে কিছু লিখে দেবার জন্যে লোকের অনুরোধে এর উৎপত্তি৷ তারপরে স্বদেশে ও অন্যদেশেও তাগিদ পেয়েছি৷ এমনি ক’রে এই টুকরো লেখাগুলি জমে উঠল৷ এর প্রধান মূল্য হাতের অক্ষরে ব্যক্তিগত পরিচয়ের৷ সে পরিচয় কেবল অক্ষরে কেন, দ্রুত লিখিত ভাবের মধ্যেও ধরা পডে়৷ ছাপার অক্ষরে সেই ব্যক্তিগত সংগ্রহটি নষ্ট হয়—সে অবস্থায় এই সব লেখা বাতি-নেবা চীন লণ্ঠনের মতো হাল্কা ও ব্যর্থ হতে পারে৷ তাই জার্মানিতে হাতের অক্ষর ছাপবার উপায় আছে খবর পেয়ে লেখনগুলি ছাপিয়ে নেওয়া গেল৷ অনন্যমনস্কতায় কাটাকুটি ভুলচুক ঘটেছে৷ সে সব ত্রুটিতে ব্যক্তিগত পরিচয়েরই আভাস রয়ে গেল৷ ‘ আসলে রবীন্দ্রনাথের অটোগ্রাফে কবিতাগুলি ব্যক্তিনিষ্ঠতায় আবদ্ধ না থেকে বিষয়নিষ্ঠতায় বা সর্বজনীনতায় উন্নীত হয়েছে৷ ফলে কবিতাগুলির সার্বিক আবেদন অব্যাহত থেকেছে৷ সেগুলি আকারে ক্ষুদ্র হলেও ভাবনায় বৃহৎ হয়ে উঠেছে৷ এজন্য ‘লেখন’-এর কবিতাতেও ‘কণিকা’ (১৮৯৯) কাব্যের কবিতাগুলির বাঞ্জনা অনুভূত হয়৷ যেমন, ‘লেখন’-এর ৭৭ নং কবিতাটি
‘পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়,
পথের দুধারে আছে মোর দেবালয়৷’


অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘স্বাক্ষরলিপির দাবি’ মেটাতে গিয়ে লেখা কবিতাগুলির প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন এবং সচেতনভাবে ‘লেখন’-এর মতো আরও একটি সংকলনের পরিকল্পনা করেছিলেন৷ ‘প্রবাসী’তে (কার্তিক ১৩৩৪) ‘লেখন’ সংকলনটি সম্পর্কে কবি প্রসঙ্গক্রমে জানিয়েছেন, ‘এইরকম ছোটো ছোটো লেখায় একবার আমার কলম যখন রস পেতে লাগল তখন আমি অনুরোধনিরপেক্ষ হয়েও খাতা টেনে নিয়ে আপন-মনে যা-তা লিখেছি…৷’ ফলে অটোগ্রাফে কবিতায় রবীন্দ্রনাথের ‘অনুরোধনিরপেক্ষ হয়েও খাতা টেনে নিয়ে আপন-মনে যা-তা’ লেখার মধ্যে তাঁর যে সচেতন প্রয়াস ছিল, তাও সহজে অনুমেয়৷ বুডাপেস্টে থাকার সময় ‘লেখন’-এর পরে আরও একটি অটোগ্রাফে কবিতার সংকলন করতে চেয়েছিলেন৷ সেটি তাঁর জীবিতকালে সম্ভব হয়নি৷ পরবর্তীকালে অটোগ্রাফে কবিতার দুটি সংকলন প্রকাশিত হয়েছে৷ তার একটি মুদ্রাক্ষরে স্ফুলিঙ্গ (২৫ বৈশাখ ১৩৫২), অন্যটি ‘লেখন’-এর মতো কবির স্বাক্ষরে ‘বৈকালী’ (৭ পৌষ ১৩৫৮)৷ তবে রবীন্দ্রনাথের পক্ষে যা সম্ভব হয়েছে, অন্য কবির পক্ষে তা লক্ষ করা যায় না৷

আসলে রবীন্দ্রনাথও বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন৷ এর দু-চার লাইনের স্বল্পায়তনের কবিতাকে পাঠকের মেনে না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাঁর প্রথমাধি সন্দেহ ছিল৷ আবার তাঁর মতো সুপ্রতিষ্ঠত কবির স্বাক্ষর হিসাবে তাঁর অটোগ্রাফে কবিতাগুলির গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে আত্মপ্রত্যয়ও ছিল৷ পূর্বোক্ত ‘প্রবাসী’তে তিনি জানিয়েছেন, ‘তখন ভাবলেম, ছোটো লেখাকে যাঁরা সাহিত্য হিসাবে অনাদর করেন তাঁরা কবির স্বাক্ষর হিসাবে হয়তো সেগুলোকে গ্রহণ করতেও পারতেন৷’ অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ অটোগ্রাফে কবিতাকে নিছক স্বল্পসময়ের ব্যক্তিগত অভিপ্রায় প্রকাশের প্রয়াস না দেখে সচেতনভাবে সেগুলিকে কাব্যিকরসে সাহিত্যপদবাচ্য করে তুলেছেন এবং সেকথাও তিনি উক্ত ‘প্রবাসী’তে জানিয়েছেন : ‘এমনি করে যখন-তখন পথে-ঘাটে যেখানে-সেখানে দু-চার লাইন কবিতা লেখা আমার অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল৷ এই লেখাতে আমি আনন্দ পেতুম৷ দু-চারটি বাক্যের মধ্যে এক-একটি ভাবকে নিবিষ্ট করে দিয়ে তা একটি বাহুল্যবর্জিত রূপ প্রকাশ পেত তা আমার কাছে বড়ো লেখার চেয়ে অনেক সময় আরো বেশি আদর পেয়েছে৷’ সেক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের অটোগ্রাফের কবিতাগুলি তাঁর কবিতা রচনার নামান্তর হয়ে উঠেছে৷ এজন্য এই ধারা তাঁর চিনে-জাপানে কিংবা বিদেশেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকেনি, স্বদেশেও বিস্তারলাভ করেছিল৷ অন্যদিকে তাঁর অটোগ্রাফে কবিতাগুলি তাঁর অন্য কবিতার সঙ্গে একাসনেই পরিচিতি লাভ করেছে, ভিন্ন পরিচয়ে স্বতন্ত্র থাকেনি৷ পাঠককে তাঁর অটোগ্রাফে কবিতার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বলে না দিলে শুধুমাত্র তার ক্ষুদ্রতা দিয়ে ক্ষীণ সন্দেহ করা ছাড়া আলাদা ভাবার কোনো কারণ সেক্ষেত্রে লক্ষ করা যায় না৷ শুধু উপাদেয়তার গুণে কোনো কোনোটি আবার সমধিক পরিচিতিও পেয়েছে৷ শান্তিনিকেতনে পাঠরত সত্যজিৎ রায়ের অটোগ্রাফের খাতায় লেখা (৭ পৌষ ১৩৩৬) এরকমই একটি সুপরিচিত কবিতা৷ সেটি ‘স্ফুলিঙ্গ’-এর ১৬৪ সংখ্যক কবিতা :
‘বহু দিন ধরে’ বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্ব্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু৷
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশির বিন্দু৷’

বাংলায় রবীন্দ্রনাথের মতো অটোগ্রাফে কবিতায় সৌভাগ্য লাভ সত্যিই বিরল৷ অথচ তার সগৌরব উপস্থিতি বর্তমান৷

রবীন্দ্রনাথ যেখানে নিজেই সচেতনভাবে তাঁর অটোগ্রাফে কবিতাগুলির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে সক্রিয় হয়েছিলেন, অন্যদের ক্ষেত্রে তা লক্ষ করা যায় না৷ তাঁরা যেন তাঁদের সেই সম্পদ রক্ষার দায়িত্বভার অনুরাগীদের উপরেই অর্পণ করেছেন৷ তার ফলে কাজি নজরুল ইসলামের মতো জনপ্রিয় কবির অসংখ্য অটোগ্রাফে কবিতার অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও সেগুলির সংকলন অদ্যাবধি প্রকাশিত হয়নি৷ অবশ্য এবিষয়ে দুটি বিষয় লক্ষনীয়৷ প্রথমত, রবীন্দ্রনাথ ব্যতীত অন্য সকলের মুহূর্তের সৌধগুলি কতটা মজবুত, সেবিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ বর্তমান৷ কেননা অনেকের অটোগ্রাফে কবিতাগুলি অত্যন্ত বেশিরকমের ব্যক্তিগত সীমায় আবদ্ধ৷ তার চিরন্তন সর্বজনীন আবেদন তাতে ব্যাহত হয়েছে৷ সেক্ষেত্রে কবিদের মধ্যে রাবীন্দ্রিক সচেতনতা নেই বললেই চলে৷ যেমন, হেমেন্দ্রকুমার রায়ের ছেলে প্রদ্যোতের (ডাকনাম গাবলু) অটোগ্রাফের খাতায় নজরুল লিখে দিয়েছিলেন :
‘তোমার বাবার বাবা হও তুমি
কবি-খ্যাতিতে যশে,
তব পিতা সম হও নিরুপম
আনন্দ-ঘন রসে৷
স্নেহের গাবলু! অপূর্ণ যাহা
রহিল মোদের মাঝে,
তোমার বীণার তন্ত্রীতে যেন
পূর্ণ হয়ে তা বাজে৷
শুভার্থী—কাজীকা’

ফলে এসব কবিতা একান্তভাবেই অনুরাগীর নিজস্ব সম্পদ হয়ে উঠেছে৷ দ্বিতীয়ত, এর আয়তন ও আবেদন এতটাই সংকীর্ণ পরিসরে আবদ্ধ থাকে যাতে তার স্থায়িত্ব কবির অভিপ্রায়ের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে পডে়৷ যেমন, সাহিত্যিক হিমানীশ গোস্বামীর মেয়ের খাতায় শিবরাম চক্রবর্তী ১৯৭৭-এর ৭ ডিসেম্বর লিখেছিলেন :
‘স্নেহের হৈমন্তীকে—
জীবনভরা থাকুক তোমার খুশি হাসির স্বাদ
আমার আশীবাদ৷’

সেদিক থেকে রবীন্দ্রনাথের মতো সকল কবির অটোগ্রাফে কবিতার সংকলন প্রত্যাশিত নয়৷ কিন্ত্ত সেসব কবিতার মূল্য রয়েছে অন্যত্র৷ বিশেষ করে মুহূর্তের সৌধগুলিই একসময় স্মৃতিসৌধ হয়ে ওঠে৷ তাতে যেমন কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি ব্যক্ত হয়ে পড়ে, তেমনই আবার কখনও কখনও কাব্যিক দু্যতিও বিচ্ছুরিত হয়৷ দুদিক থেকেই অটোগ্রাকে কবিতার মূল্য রয়েছে৷ সেক্ষেত্রে কোনোটিই উপেক্ষণীয় নয়৷ শুধু তাই না, একই কবির মধ্যে দুটি বিশেষত্বই লক্ষ করা যায়৷ যেমন, হিমানীশ গোস্বামীর লেখা (‘শিবরাম চক্রবর্তীর চমৎকার অটোগ্রাফ’) থেকে শিবরাম চক্রবর্তীরই অপর একটি ভিন্ন স্বাদের কবিতা :
‘সেই পুরাতন গাছে সেই পুরাতন কাকে
পুরোনো আওয়াজ ছাডে় নতুন প্রভাতে৷’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শিবরাম চক্রবর্তী অটোগ্রাফ বিষয়ে আন্তরিকভাবেই সচেতন ছিলেন৷ তিনি হাসির গল্পকার হিসাবে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন৷ শুধু তাই নয়, তাঁর আত্মভোলা প্রকৃতিতে সহজেই ছোটদের সাহচর্য মিলত৷ তিনি এজন্য রসিকতা করে স্বাক্ষর সংগ্রহকারীদের ‘স্বাক্ষর-শিকারী’ বলতেন৷ শুধু তাই নয়, তাদের নিয়ে তিনি সরস গল্পও লিখেছেন (‘স্বাক্ষর-শিকার’)৷ নজরুল কিংবা শিবরামের মতো অসংখ্য কবিদের অটোগ্রাফে কবিতার স্বতন্ত্র সংকলন না হলেও অন্তত সংগ্রহ করে প্রকাশ করা জরুরি৷ তাতে অন্তত তাঁদের হৃত সম্পর্ক এবং সম্পদ দুটির পুনরুদ্ধারের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে৷ শুধু তাই বা বলি কেন, এরকম অকবিদেরও অটোগ্রাফে কবিতায় কাব্যিক দু্যতি ছড়িয়ে পডে়৷ উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের ভূতপূর্ব অধ্যাপক তথ্য সাহিত্য-সমালোচক প্রণয়কুমার কৃণ্ডু-কে কয়েকজন ছাত্রছাত্রীরা পীড়াপীডি় করায় তিনি দুই লাইনের কবিতাটি উপহার দিয়েছিলেন, তা আসলে অটোগ্রাফে কবিতারই নামান্তর৷

মাস্টারমশাইয়ের দুলাইনের কবিতা এখনও মনে নাড়া দিয়ে চলে :
‘হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি হলে মনে হয়,
পৃথিবীটা মরুভূমি নয়৷”
কবিদের অটোগ্রাফে কবিতার ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য৷ অটোগ্রাফে কবিতার হঠাৎ প্রাপ্তিতে অনুরাগীদের মনে এক পশলা বৃষ্টি বয়ে আনে যা মরুভূমিময় পৃথিবীর দুঃস্বপ্নকে মুছিয়ে দেয় ক্ষণিকের তরে৷ অনিত্য পৃথিবীতে তাই বা কম কীসে!