• facebook
  • twitter
Tuesday, 7 April, 2026

স্বপ্নার মনোনয়ন পর্বে আমন্ত্রণ না পেয়ে ক্ষোভ খগেশ্বরের

রাজগঞ্জ কেন্দ্রে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে আগেই কিছুটা অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। স্বপ্না বর্মনের প্রার্থীপদ নিয়ে জটিলতা থাকায় খগেশ্বর রায়কে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে মনোনয়ন ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তির আবহ তৈরি হল। দলের প্রবীণ নেতা ও চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দলীয় প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন খগেশ্বর। এই ঘটনাকে তিনি ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে দেখছেন। তাঁর কথায়, ‘চেয়ারম্যান পদে থাকলেও আমাকে কার্যত গুরুত্বহীন করে রাখা হয়েছে।’

প্রবীণ এই নেতার দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বা সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাঁকে জানানো হয় না। মনোনয়ন জমার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনেও জেলা নেতৃত্ব বা প্রার্থীর তরফে কোনও যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি গভীরভাবে ক্ষুব্ধ। এর জেরে তিনি সরাসরি প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তিনি জানিয়েছেন, বাড়িতে বসেই সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে দলের প্রচারে যুক্ত থাকবেন।

Advertisement

এই প্রসঙ্গে রাজগঞ্জের কো-অর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাস জানান, আগের রাতে খগেশ্বর রায়কে ফোন করা হয়েছিল, কিন্তু যোগাযোগ করা যায়নি। তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন খগেশ্বর।

Advertisement

উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে আগেই কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে স্বপ্না বর্মনের প্রার্থীপদ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় খগেশ্বর রায়কে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন মেলায় স্বপ্নাকেই প্রার্থী করা হয়। এরপর থেকেই তাঁর অনুগামীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা দেখা যায়।

তবে সমস্ত জল্পনার মাঝেও খগেশ্বর স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দল ছাড়ার কোনও প্রশ্ন নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বে আস্থা রেখেই তিনি তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।

এদিকে জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ স্বীকার করেছেন, যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনা সাময়িক অস্বস্তি তৈরি করলেও তৃণমূলের সংগঠনগত শক্তি এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতায় পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দেওয়া সম্ভব।

Advertisement