পাহাড়ের কোলে ফিরছে অসমাপ্ত প্রেম, আসছে ‘জারিয়া ২’

বিচ্ছেদের সাত বছর পর দার্জিলিঙের এক পাহাড়ি বাঁকে আচমকা মুখোমুখি হয় ঋষভ আর শ্রেয়সিনী। একসময় যারা ছিল একে অন্যের নিঃশ্বাস, ভুল বোঝাবুঝি আর পরিস্থিতির চাপে তাদের পথ এখন হয়ে গিয়েছে  আলাদা। সেই অসমাপ্ত গল্প নিয়েই ফিরছেন পরিচালক সুমন মৈত্র। তাঁর নতুন ছবি ‘জারিয়া ২’। প্রযোজনায় রয়েছে বেলজার ফিল্মস, প্রযোজক অনিমেষ গঙ্গোপাধ্যায়।

‘জারিয়া’ দর্শকের মনে দাগ কেটেছিল সরল অথচ গভীর প্রেমের আখ্যানে। এবার সেই জার্নির পরের ধাপে হাঁটছে ‘জারিয়া ২’। ছবির গল্প মাত্র দু’দিনের। বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে শ্রেয়সিনীর হাতে থাকা ওই দু’দিনেই ওরা ফিরে দেখবে পুরনো দিনগুলোকে। পাহাড়ের শীতলতা, কুয়াশা মাখা ভ্যালি আর নীরব ল্যান্ডস্কেপের মাঝে কথায়, হাসিতে, নীরবতায় উঠে আসবে ভালোবাসা, অভিমান, হারানোর যন্ত্রণা। শেষ দৃশ্যে থাকবে এক হৃদয়ছোঁয়া বিদায়, যা মনে করিয়ে দেবে সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় না, তবু তার রেশ থেকে যায় আজীবন।


 

পরিচালক সুমন মৈত্র বলছেন, “‘জারিয়া’ ছিল প্রেমে পড়ার গল্প। ‘জারিয়া ২’ হল প্রেমকে যাপন করার গল্প। দুটো মানুষ বিচ্ছেদের পর কীভাবে একে অন্যের দিকে তাকায়, কীভাবে মান-অভিমান আর স্মৃতি আঁকড়ে বাঁচে—সেটাই বলতে চেয়েছি। এখানে পাহাড় নিজেই একটা চরিত্র। উচ্চতা, শীতলতা, ভ্যালি—সব মিলিয়ে ‘জারিয়া ২’ একটা ভালোবাসায় ভরা জার্নি।”

ছবিতে ঋষভের ভূমিকায় রয়েছেন রাজেশ্বর এবং শ্রেয়সিনীর চরিত্রে শ্রীমা ভট্টাচার্য। সাত বছর পরের পরিণত দুই চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে দু’জনের রসায়নের উপরই ভরসা রেখেছেন পরিচালক। ছবির আবহ সংগীতের দায়িত্বে দেবদীপ বণিক। পাহাড়ের নিস্তব্ধতা আর চরিত্রদের না-বলা কথার ফাঁকে তাঁর সুর হয়ে উঠবে তৃতীয় ভাষা।

‘ভালোবাসা, হারানো, বন্ধুত্ব আর সেই স্মৃতি—যা কখনও পুরনো হয় না’—এই ভাবনাকে সামনে রেখেই এগিয়েছে ‘জারিয়া ২’-এর চিত্রনাট্য। মুক্তির দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত না হলেও, মেলোড্রামা আর পাহাড়প্রেমী দর্শকের কাছে ছবিটি যে আলাদা প্রত্যাশা তৈরি করবে, তা বলাই বাহুল্য।