চেনা গতের বাইরে গল্প এবং নির্মাণশৈলীর জন্য বরাবরই বিশেষ পরিচিত ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন। ২০২৬ সালে তাঁদের প্রথম বড় নিবেদন ‘কর্পূর’ নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। পরিচালক অরিন্দম শীলের এই নতুন ছবি ঘোষণার পর থেকেই রহস্যঘেরা কাহিনী নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামকের আকস্মিক অন্তর্ধান ঘিরে তৈরি হয়েছিল চাঞ্চল্য। সেই বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় সাহিত্যিক দীপান্বিতা রায়ের লেখা ‘অন্তর্ধানের নেপথ্যে’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ‘কর্পূর’। রহস্য, সামাজিক বাস্তবতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে এই ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।
এর আগে ছবির প্রচারচিত্র প্রকাশ্যে আসার পর দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছিল। এবার ছবির ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ছবিতে অভিনয়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এছাড়াও রয়েছেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রাত্য বসু, সাহেব চট্টোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, অনন্যা ব্যানার্জী, লহমা ভট্টাচার্য, অর্পণ ঘোষাল এবং রুমকি চট্টোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। তারকাবহুল এই ছবিতে প্রত্যেকেই ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
ছবির প্রযোজক ফিরদাউয়াউল হাসান জানিয়েছেন, ‘কর্পূর শুধুমাত্র রহস্যভিত্তিক ছবি নয়। ১৯৯৭ সালে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে এই ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। অরিন্দম শীলের পরিচালনা এবং ব্যতিক্রমী অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কাটবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।’
ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন এবং কাহাক স্টুডিওজের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবি আগামী ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ইতিমধ্যেই রহস্যঘেরা কাহিনী, শক্তিশালী অভিনয় এবং বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় তৈরি এই ছবিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশা বাড়ছে। চলচ্চিত্র মহলের মতে, ‘কর্পূর’ বাংলা চলচ্চিত্রের রহস্যধর্মী ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।