‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে সম্মানিত করা হচ্ছে বাংলা সিনেজগতের মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে এই পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই সুবাদে অভিনেতাকে শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে গেলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাংস্কৃতিক বিভাগের প্রধান তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। অভিনেতাকে ফুলের তোড়া দিয়ে এবং উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানানো হয়। হাতে তুলে দেওয়া হয় অযোধ্যার রামলালার প্রতিকৃতিও।
তবে অভিনেতার বাড়িতে সুকান্ত মজুমদারের আগমন নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রসেনজিৎদার বাড়িতে আসার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সব বিষয়ে রাজনীতি ঢোকাতে নেই। যেমন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি থাকা উচিত নয়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মসম্মান পেয়েছেন, আজ সেই জন্যেই তাঁকে শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনা জানাতে আমরা এখানে এসেছি।‘ তিনি জানান, ‘প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলা সিনেমার শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। আর সেই অবদানের জন্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে পদ্ম সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে।‘
শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ ছাড়াও বাংলা থেকে চলতি বছরে এই সম্মান পাচ্ছেন আরও ১০ জন। পুরস্কার পেয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই সম্মান আমি মাকে উৎসর্গ করছি। আমাদের বড় করে তুলতে এবং আমার এই সিনেযাত্রায় অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। চার দশক ধরে সেই যাত্রা চলছে। এই সম্মান নিজের পরিবার এবং আমার ছেলে মিশুকের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। অগণিত দর্শকের জন্যই আজ আমি অভিনেতা প্রসেনজিৎ হয়ে উঠতে পেরেছি। পদ্মসম্মানে ভূষিত হওয়ার পর বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়কেও ফোন করেন প্রসেনজিৎ। এবার পদশ্রী অভিনেতাকে শুভেচ্ছা জানাতে বালিগঞ্জের বাসভবন ‘উৎসব’-এ কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।