সময়ের পরীক্ষায় উতরে যাওয়া ৬ বলিউড ডান্স অ্যান্থেম, আজও নাচতে বাধ্য করে দর্শকদের

বলিউডে প্রতি বছর অসংখ্য গান মুক্তি পায়। কিছু গান কয়েক মাসের মধ্যেই হারিয়ে যায় স্মৃতির আড়ালে, আবার কিছু গান সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে হয়ে ওঠে চিরকালীন। এমনই কয়েকটি আইকনিক ডান্স নাম্বার আজও পার্টি, বিয়ে, সঙ্গীত অনুষ্ঠান কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া রিলসে সমান জনপ্রিয়। এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই গানগুলির আবেদন এতটুকুও কমেনি।

প্রথমেই আসে অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের এর ‘ক্রেজি কিয়া রে’-এর কথা। ধুম ২ ছবির এই গানটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল। আকর্ষণীয় কোরিওগ্রাফি, স্টাইলিশ উপস্থাপনা এবং ঐশ্বর্যার অনবদ্য স্ক্রিন প্রেজেন্স গানটিকে আজও জনপ্রিয় করে রেখেছে।

একইভাবে ক্যাটরিনা কাইফের ‘শিলা কি জওয়ানি’ এখনও যে কোনও পার্টির অন্যতম আকর্ষণ। তিস মার খানের-এর এই গানটি মুক্তির পর সাংস্কৃতিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। ক্যাটরিনার নাচ, এনার্জি এবং আইকনিক হুক স্টেপ আজও অনুরাগীদের মধ্যে সমানভাবে জনপ্রিয়।


করিনা কাপুর খানের ‘ফেভিকল সে’ও সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। দাবাং ২-এ এই গানটি তার দেশি মেজাজ এবং সহজে গেয়ে ওঠার মতো সুরের জন্য এখনও বিভিন্ন উৎসব ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

অন্যদিকে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ‘রাম চাহে লীলা’ গানের মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন, একটি মাত্র বিশেষ উপস্থিতিও কতটা স্মরণীয় হয়ে উঠতে পারে। গোলিও কি রাসলীলা রাম-লীলাতে তাঁর শক্তিশালী পারফরম্যান্স আজও দর্শকদের মনে গেঁথে রয়েছে।

দীপিকা পাডুকোনের ‘লাভলি’ গানটিও জনপ্রিয়তার নিরিখে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। হ্যাপি নিউ ইয়ার  ছবির এই গানটি গ্ল্যামার, স্টাইল এবং জমকালো উদযাপনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

তালিকায় রয়েছেন লরেন গটলিয়েবও। এবিসিডি-২ -এর ‘ট্যাটু’ গানটি তাঁর অসাধারণ নৃত্য দক্ষতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল। আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় অসংখ্য নৃত্যশিল্পী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর এই গানের সঙ্গে ভিডিও তৈরি করেন।

সময় বদলেছে, বদলেছে সংগীতের ধারা। তবুও এই গানগুলি প্রমাণ করে, দুর্দান্ত সুর, স্মরণীয় নাচ এবং তারকাদের ক্যারিশমা থাকলে কোনও গানই পুরনো হয় না। এক দশকেরও বেশি সময় পরেও এই ডান্স অ্যান্থেমগুলি এখনও দর্শকদের হৃদয়ে একই রকমভাবে রাজত্ব করছে।