দশম মহাবিদ্যার প্রথম দেবীই হলেন কালী (Kali Puja)। কালীর পদতলে শুয়ে থাকেন স্বয়ং মহাদেব। মহাদেব শ্মশানবাসী। কালীর বিভিন্ন রূপের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ হল শ্মশান কালী। শ্মশানে পুজো হয় বলে দেবীর এই নাম। বাড়িতে এই কালীর পুজো (Kali Puja) হয় না। শ্মশান কালীর সাধনা করেন মূলত তন্ত্রসাধক শ্মশানবাসীরা।
শ্মশান কালীর দেহের রঙ কৃষ্ণবর্ণ, রক্তবর্ণ চোখ এবং কেশ আলুলায়িত। দেবী মহাদেবের উপর দণ্ডায়মান এবং কপালে রয়েছে অর্ধচন্দ্র। যেখানে শব দাহ করা হয়, তাই হল শ্মশান। আর এখানে কালী পুজো করার অর্থ শেষ সময়ে মায়ের কোলে আশ্রয় পাওয়া। মৃত ব্যক্তি এখানে শান্তি ও আনন্দ লাভ করেন।
শ্মশানকালী পুজোর কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তন্ত্র সাধকরা মাছ, মাংস আর মদ দিয়ে দেবীর পুজো করে থাকেন। সাধু-সন্তরা শ্মশানে এই পুজো করে থাকেন। শ্মশান কালীর হাতের অস্ত্র হল খড়্গ। আর বাহন হল শিয়াল।
আরও পড়ুন: Shyamakatha: রামপ্রসাদের কালীসাধনা, দেবীর মৃন্ময়ী রূপ জাগ্রত গানে
আমাদের এখানে এমন অনেক শ্মশান রয়েছে, যেখানে শবদেহ না আসা পর্যন্ত পুজো হয় না। কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে একদিকে শ্মশানকালী পুজো হয় অন্যদিকে শবদেহ দাহ করা হয়। এখানে সাধারণত ডোমেরা এই পুজো করে থাকেন। পুজোর সময় একটি শবদেহ এনে রাখা হয়। দুর্গাপুরের বীরভাপুরের মহাশ্মশানেও কালীপুজো (Kali Puja) হয়। এখানে দেবী বৈষ্ণব মতে পূজিতা হন। শ্মশানে শব দেহ না আসা পর্যন্ত দেবীর ভোগ নিবেদন করা হয় না।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/KWJSYUkvG6M?si=9SCFQJUIsTWjJjUb” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>