রেফার ও দালাল চক্রে জিরো টলারেন্স, হাসপাতালে নজরদারি চালাতে কন্ট্রোল রুম ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর

সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্র এবং রেফার রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলছে রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য ভবনে নজরদারি চালাতে তাই কন্ট্রোল রুম চালু করতে চলেছে সরকার। এদিন জানিয়ে দিলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২৪ ঘণ্টা এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। জেলা হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজগুলিতে এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সরাসরি নজরদারি চালানো হবে। দালালচক্র এবং রেফার ছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসক রয়েছেন কি না, রোগীর পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, হাসপাতালের মধ্যে কুকুর-বিড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে কি না তাও দেখা হবে। হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিছন্নতার ক্ষেত্রেও কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পেশাদার লোক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলি এক টাকা জমি নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে অতিরিক্ত চাপ হলে এই বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগী পাঠানো হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ১৫ শতাংশ বেড থাকবে বলেও জানান তিনি। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাঠানো অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া রোগীদের পরিষেবা দেবে এই বেসরকারি হাসপাতালগুলি। দালাল চক্র এবং রেফারের অভিযোগ জানানোর জন্য সাধারণ মানুষকে আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

এবছর থেকেই রাজ্যে ন্যাশনাল হেলফ মিশন শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি। ন্যাশনাল হেলথ মিশনের আওতায় রাজ্যে ২১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে ৫২৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যে পেয়ে গিয়েছে। আয়ুষ্মান ভারতের জন্য এবছর ৯৭৬ কোটি টাকা পেয়েছে রাজ্য সরকার। আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আসছে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবারের প্রায় ৬ কোটির বেশি মানুষ। এই হাসপাতালগুলি নাম আয়ুষ্মান মন্দির হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনওষুধি কেন্দ্র চালু হতে চলেছে। আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বর্ধমানে তৈরি হবে মেডিক্যাল কলেজ।