সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিক্ষাদপ্তরের তরফে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, স্কুল শুরুর আগে পড়ুয়াদের ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। সেই নির্দেশিকা ঘিরে বিভিন্ন স্কুলে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর।
বর্তমানে গরমের কারণে রাজ্যের স্কুলগুলিতে ছুটি চলছে। গরমের ছুটি বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যেই জেলার স্কুল পরিদর্শক এবং শিক্ষা আধিকারিকদের মোবাইলে এই সংক্রান্ত বার্তা পৌঁছে যায়। আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শক লক্ষ্মণা গোলে জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী বিষয়টি কার্যকর করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। খুব দ্রুত লিখিত নির্দেশিকাও জেলায় পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের এই পদক্ষেপে খুশি শিক্ষকদের সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ। সংগঠনের তরফে অসীম দাস বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িকতার অজুহাতে এই রাষ্ট্রগীত স্কুলে বন্ধ রাখা হয়েছিল। বন্দে মাতরম আমাদের সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার অংশ।’
অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘বিকৃত ইতিহাস সংশোধনের এটাই সঠিক সময়।’ তাঁর দাবি, কেন্দ্র আগেই এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন সরকার তা কার্যকর করেনি। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ দিবস প্রসঙ্গেও তিনি বলেছেন, ‘১৯৪৭ সালের ২০ জুনই পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত জন্মদিন।’