স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিরামপুর গ্রামের রজক পাড়া ও বাউড়ি পাড়ার মধ্যবর্তী একটি কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য সম্প্রতি পথশ্রী প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ হয়। তবে রাস্তার নকশা ও নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে বাউড়ি পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে রজক পাড়ার বাসিন্দাদের মতবিরোধ তৈরি হয়। বাউড়ি পাড়ার অভিযোগ, তাঁদের মতামত না নিয়েই একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দু’পাড়ার মধ্যে উত্তেজনা চলছিল এবং একবার পুলিশের হস্তক্ষেপেও পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়।
রবিবার রাতে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করতেই নতুন করে অশান্তি ছড়ায়। অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়া দ্রুত মারামারিতে গড়ায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের মোট আট জন আহত হন। স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা পাপিয়া রজকের উপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
পাপিয়া রজক বলেন, রাস্তা হলে গোটা গ্রাম উপকৃত হবে, তবু বাউড়ি পাড়ার কিছু যুবক অতর্কিতে হামলা চালায়। পাল্টা বাউড়ি পাড়ার বাসিন্দা কল্পনার দাবি, তাঁদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং কটূক্তির জেরেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান গুরুদাস মুখোপাধ্যায় ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এ দিকে বিজেপি পুরো ঘটনাকে জনরোষ বলে দাবি করে কাটমানির অভিযোগ তুলেছে।