কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে দুই নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, সাবালক নয় অভিযুক্তরাও

Minor Girl Rape Photo-Representative

নাবালকদের লালসার শিকার হল দুই নাবালিকা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কারণ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে দুই নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। আর সেখানে নিয়ে গিয়ে ‘ধর্ষণ’ করা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে দুই প্রতিবেশী নাবালককে। অভিযুক্তরা নাবালক জানতে পারার পর ঢি-ঢি পড়ে গিয়েছে গোটা গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং থানা এলাকায় মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর নাম করে দুই নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী দুই নাবালক। এই ঘটনার জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার তালদি জনকল্যাণ মোড় এলাকায় তুমুল আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে। এই দুই নাবালকের সঙ্গে আগে থেকে পরিচয় ছিল ওই দুই নাবালিকার। সেই সুযোগে প্রথমে তাদের বিশ্বাস অর্জন করা হয়। বেশ কয়েকবার আগে তারা দেখা করলেও এমন পরিকল্পনা আছে তা বুঝতে দেয়নি অভিযুক্ত নাবালকরা। আর সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ওই দুই নাবালিকাকে লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ বাড়ির সামনে খেলা করছিল দুই নাবালিকা। একজনের বয়স ১০ বছর এবং অন্যজনের বয়স ১২ বছর। তখন প্রতিবেশী দুই নাবালক তাদের মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখিয়ে সেখান থেকে নিয়ে যায়। তারপর এক ব্যক্তির বাড়ির পিছনে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই দুই নাবালিকাকে জোর করে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক নির্যাতিতার মা। তা থেকেই গোটা বিষয়টি সামনে চলে আসে। তারপর তদন্তে নেমে জানা যায়, ধর্ষণ যারা করেছে তারাও নাবালক। তাদের আটক করা হয়েছে।


তাছাড়া  অভিযোগ পেয়েই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ক্যানিং থানার পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় দুই নাবালককে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪(২)(এম)/ ৩(৫) ধারা এবং পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ‘চরম নিন্দনীয় ঘটনা। সামাজিক অবক্ষয়ের ছবি এটা। এখনকার রাজ্য সরকার একজন নারীর প্রতিও এই ধরনের ঘটনা মেনে নেবে না। যারা অভিযুক্ত রয়েছে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। বারুইপুরের ঘটনাও সকলে দেখেছেন।’