বীরভূমের মুরারইয়ে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে দলের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, দলীয় কার্যালয়ে এক সভার সময় বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সভা শেষ না করে সাংসদ কার্যালয় ত্যাগ করেন তিনি। তবে তার পরেও কিছু সময় ধরে দপ্তরে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দলের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। বিদায়ী বিধায়ক ও চিকিৎসক মোশারফ হোসেনকে নিয়ে দলের কিছু কর্মীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। স্থানীয় নেতাদের একটি অংশ চাইছিল প্রার্থী হোক প্রয়াত আব্দুর রহমানের ছেলে সঞ্জিবুর রহমান ওরফে বাপ্পাকে। অন্য দিকে, পাথর ব্যবসায়ী আলি খানও প্রার্থী হওয়ার জন্য লড়াই শুরু করেছিলেন বলে খবর।
শেষপর্যন্ত মোশারফ হোসেনকে প্রার্থী করা হয়। ঘোষণার পরও দলের একাংশ এখনও প্রচারে অংশগ্রহণ করেনি। শুক্রবার সেই ‘অভিমান’ মেটাতে সাংসদ শতাব্দী রায় দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন। বৈঠক চলাকালীন তিনি আলি ডুরিয়ার তিন পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীদের দল থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানান বলে খবর। এই নিয়ে ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষের সঙ্গে তর্ক শুরু হয়, যা বড় আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষ পর্যন্ত সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান সাংসদ শতাব্দী রায়।