বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার নিয়ম না মেনে পোস্টাল ব্যালট বাছাই করেছেন। এই ঘটনায় দ্রুত হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে তৃণমূল।
এর আগেও একই কেন্দ্রকে ঘিরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’র অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কেন্দ্রের গেটের বাইরে বিক্ষোভে বসেন বেলেঘাটার প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে ওঠায় ঘটনাস্থলে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়। এরই মধ্যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুম পরিদর্শনে যান।
ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে তৃণমূলের অবস্থান চলাকালীন সেখানে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠক এবং তাপস রায়। তাঁরা স্ট্রংরুমের সামনে তৃণমূলের জমায়েত নিয়ে আপত্তি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং কয়েক ঘণ্টা পর তৃণমূল প্রার্থীরা অবস্থান তুলে নেন।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে শুধু সন্দেহজনক গতিবিধি নয়, পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজেও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট বিধানসভাগুলির প্রার্থীদের আগেই ইমেলের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।