মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত যেখানে কড়া নিরাপত্তা বলয় ছিল, সেখানে বুধবার দৃশ্য সম্পূর্ণ বদলে যায়। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ বুথটি ফাঁকা, অতিরিক্ত বাহিনীও আর মোতায়েন নেই। যদিও একটি কুইক রেসপন্স টিমের গাড়ি এলাকায় দেখা গিয়েছে এবং স্থানীয় থানার এক পুলিশকর্মী টহল দিচ্ছেন। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ এই পরিবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এতদিন নিরাপত্তার কারণে ফুটপাথ দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল, মাঝেমধ্যে রাস্তা বন্ধও করে দেওয়া হত। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, শুধু অভিষেকের বাড়ি নয়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন আর বাড়তি ব্যারিকেড বা কঠোর প্রহরা থাকবে না। তবে প্রোটোকল মেনে একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পাবেন। এছাড়াও শেক্সপিয়র সরণি এলাকার ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অবস্থিত অভিষেকের কার্যালয় থেকেও নিরাপত্তা কমানো হয়েছে। যদিও সূত্রের খবর, সাংসদ হিসেবে নিয়ম অনুযায়ী যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তা বজায় থাকবে। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ নেতাদের ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন চোখে পড়ছে।