মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার বেলুড় মঠ গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে হাজির হন তিনি। ভোরের শান্ত পরিবেশে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তাঁর আগমন ঘিরে মঠ চত্বরে তৈরি হয় বিশেষ আবহ। প্রবেশদ্বারেই রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রবীণ সন্ন্যাসীরা তাঁকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান।
মঠে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান। সেখানে তিনি ভক্তিভরে আরতি দর্শন করেন এবং পুজো দিয়ে প্রণাম জানান শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দকে। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত কক্ষে গিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে সময় কাটান তিনি। পরে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির ও মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন।
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ। সেখানে তিনি অধ্যক্ষের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আশীর্বাদ নেন। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত—দুই দিক থেকেই এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য বেলুড় মঠ চত্বরে সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। অনুগামীরা জয়ধ্বনি দিলে মুখ্যমন্ত্রীও হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান।
বেলুড় মঠের আধ্যাত্মিক পরিবেশ থেকে বেরিয়ে তিনি রওনা দেন শরৎ সদন-এর উদ্দেশ্যে, যেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। এরপরই তাঁর দিল্লি সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।