মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পরিত্যক্ত ও অস্বাস্থ্যকর ভবনে ওষুধ ও স্যালাইন মজুত রাখার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি এক রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল গোটা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট স্টোর কিপার-সহ পাঁচজনকে শোকজও করা হয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণের বেহাল পরিকাঠামো সামনে এল।
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত ওষুধ ও স্যালাইন রাখার স্টোররুমের অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের একটি পরিত্যক্ত, স্যাঁতসেঁতে ও জরাজীর্ণ ঘরে জীবনদায়ী ওষুধ ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। এমন পরিবেশে ওষুধ সংরক্ষণ রোগীদের নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বিধায়ক জানান, বিষয়টি তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নজরে এনেছেন। অভিযোগ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়নে গাফিলতির ফলেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে, হাসপাতালের সুপার ইন্দ্রনীল সেনও স্বীকার করেছেন যে বর্তমানে যে ঘরে ওষুধ সংরক্ষণ করা হচ্ছে, সেটি এই কাজের জন্য উপযুক্ত নয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, স্টোররুমটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।