সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে, জেলার গ্রন্থাগার, মিউজিয়াম ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক কলেজ এবং আইটিআই প্রতিষ্ঠানগুলিকেও এই উদযাপনে অংশ নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিশেষ বক্তৃতা এবং আলোচনাসভা আয়োজনের পাশাপাশি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বার্ষিক স্মারক বক্তৃতা চালুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কুইজ, প্রবন্ধ রচনা ও অন্যান্য শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
এই উদযাপনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রতিটি জেলায় একটি করে জেলা-স্তরের পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক ওই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক, বিভিন্ন পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারদের অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ২০ জুন অখণ্ড বাংলা বিধানসভার সদস্যরা বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য ভোট দেন। সেখানে হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেদিনই বাংলা ভাগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীকালে যা ভারতের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গকে রাজ্য হিসেবে গঠনের পথ প্রশস্ত করে।