শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভাবে কলুষমুক্ত আর দুর্নীতিমুক্ত করবে বিজেপি সরকার। শিক্ষকতার পেশার মহত্ত্ব আছে। অতি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশের শীর্ষ আদালতের রায়, এসএসসি রুলস আর মানবিক দিক দিয়ে নিয়োগের সমস্ত ক্ষেত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিবছর এসএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সচল থাকবে। বিদ্যালয়গুলো শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে।
বেশিরভাগ মানুষ চাইছেন বর্তমানে তাদের সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াতে,এই প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন বেশিরভাগ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো বেসরকারি এবং আর্থিক ভাবে এগিয়ে থাকা শ্রেনীই তাদের সন্তানদের পড়ান এই স্কুলগুলোতে। সাকসেস রেট দেখলেই বোঝা যাবে পড়াশোনার ক্ষেত্রে মাধ্যমটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
মূল বিষয় হল স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের পড়ানো কিভাবে হচ্ছে? শুধু ইংরেজি বা শুধু বাংলা মাধ্যম নয় সব মাধ্যমের স্কুলগুলিতে পঠনপাঠন যাতে যথাযথ হয় সেদিকে নজর থাকবে তার দফতরের। তিনি এও বলেন পড়ুয়া-শিক্ষক অনুপাত যাতে ঠিক থাকে সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখতে হবে।এসএসসির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী সুনিশ্চিত করেন এসএসসিতে স্বচ্ছতা বজায় রেখে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
পূর্বতন সরকার এর সময় ভাইভায় নম্বর বেশি থাকত এখন সেই নম্বর কমিয়ে নিয়ে আসা হবে। কাট অফ মার্কস কোন বিষয়ে কত থাকবে? তাও পুনর্বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হবে।পরীক্ষার্থীরা তাদের উত্তরপত্রের কার্বন কপি বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। শুধু তাই নয় পরীক্ষার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোন প্রশ্নের কোন উত্তর সেটি প্রকাশ করা হবে।
যাতে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারেন যে কে কত নম্বর পেতে পারেন? বা পরীক্ষা কেমন হয়েছে? এই মুহূর্তে রাজ্যে ৪০ হাজার শিক্ষকের খালি পদ রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির জিরো টলারেন্স,একথা তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।