মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্যের এজলাসে আইনজীবী কিশোর দত্ত জানান দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূলের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে প্রতিদিন এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১১ টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। চারটি আলাদা এফআইআর খারিজের আবেদন রয়েছে। বিচারপতি পুলিশকে নির্দেশ দেন, আগামী ২৩শে জুলাইয়ের মধ্যে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে কতগুলি এফআর হয়েছে জানাতে হবে।
রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পরও বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের মুখে হুমকিমূলক বক্তব্য শোনা যায়। হুমকির ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই পুলিশ পদক্ষেপ করে। তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বিধায়ক পালিয়ে যান। অবশেষে তাঁকে ওড়িশার পুরী থেকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ টিম। পুরীর ব্লু লিলি হোটেল থেকে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেপ্তার করা হয়।
বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র-সহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওই বিধায়কের ছেলে অর্ঘ্য মণ্ডল। গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর ৪ সঙ্গীকে। তাঁদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলি। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর একটি গাড়িও।
এর আগে বিষ্ণুপুরে তৃণমূলের বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। পৈলানে তাঁর বিশাল বাগানবাড়ির হদিশ মেলে। পৈলানে বাড়ি থেকেই বিধায়কের পালানোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পায় পুলিশ। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পরাজয়ের পরও বিজেপির উদ্দেশে হুমিক দিয়েছিলেন বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর রুজু করা হয়।