মেলার প্রস্তুতি দেখতে গঙ্গাসাগরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

বছরের শুরুতেই গঙ্গাসাগর মেলা। কোভিড আবহের মধ্যেই এবারও মেলা হচ্ছে সাগরে। এবার মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ২৯ এবং ৩০ ডিসেম্বর সশরীরে গঙ্গাসাগর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখাই শুধু নয়, সারবেন প্রশাসনিক বৈঠকও। নিরাপত্তা থেকে অতিথি আপ্যায়ন, সকল বিষয় নিয়ে খোঁজ নেবেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই বলে থাকেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। তাই কোনও উৎসবের প্রস্তুতিতেই ত্রুটি রাখে না রাজ্য প্রশাসন।


দুর্গাপুজো, ঈদ, বড়দিন, এমনকী গঙ্গাসাগর মেলার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে প্রশাসন। আনন্দ উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

এবছর কুম্ভমেলা না থাকায় পশ্চিমবঙ্গের সাগরমেলায় প্রচুর জনসমাগম হওয়ার কথা রয়েছে। শুধু ভিন রাজ্য থেকেই নয়, ভিন দেশ থেকেই সাগরমেলায় আসবেন অতিথিরা।

সাধু-সন্ত থেকে আমজনতা, মকর সংক্রান্তিতে পুণ্যস্নান সারেন সাগরজলে। দু’বছর ধরে করোনা আবহের মধ্যে মেলা পরিচলনা করতে হচ্ছে কোভিডের স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

এছাড়া মেলায় বড়সড় দুর্ঘটনা বা বিপত্তি এড়াতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা। মেলার সময়ে সতর্ক থাকেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। আর এইসব বিষয়ে কড়া নজর থাকে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর। প্রতিবছর গঙ্গাসাগর মেলার আগেই ড্রেজিং।

এর কাজটি শেষ করে ফেলার ওপর জোর দেওয়া হয়। এবারও ড্রেজিং শেষ করার জন্য ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

সেই কাজ কতদূর এগোল সেই বিষয়েও খোঁজ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীর মাথায় এবার ড্রোন থেকে সাগরের পুণ্যবারি ছেটানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তৈরি করা হচ্ছে ‘মন কী শান্তি’র জন্য ধ্যানকেন্দ্রও। এবারের গঙ্গাসাগর মেলায় থাকছে নতুন কিছু চমক। তার আগেই মেলার প্রস্তুতি দেখতে সাগর সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।