নির্বাচনের আগে যুবশ্রী প্রকল্পকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা ফের জোরালো হয়েছে। শুক্রবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালে চালু হওয়া এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার স্পষ্ট অবস্থান জানায়নি এবং পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দও করা হয়নি।
যদিও রাজ্য সরকারের দাবি, শিক্ষিত বেকারদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার লক্ষ্যেই যুবশ্রী চালু করা হয়েছিল। সরকারি সূত্রের মতে, এই ভাতা অনেক তরুণ-তরুণীকে চাকরির প্রস্তুতির সময় ন্যূনতম আর্থিক সুরক্ষা দিয়েছে।
শুভেন্দু বলেন, “চাকরির সুযোগ না বাড়িয়ে ভাতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষিত বেকারদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।” নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তাঁর অভিযোগ, স্থায়ী কর্মসংস্থানের বদলে ভাতানির্ভর নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।
তৃণমূলের একাংশ অবশ্য পাল্টা দাবি করছে, বেকার সমস্যার সমাধানে একাধিক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য। যুবশ্রী সেই বৃহত্তর উদ্যোগেরই অংশ।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেকারত্বের প্রশ্নে যুবশ্রী যে আবার রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে, তা নিয়ে একমত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বড় অংশ।