চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ঘিরে কড়া নজরদারি, চার জেলায় সিনিয়র আইপিএস মোতায়েন

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর কোথাও যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই সতর্ক প্রশাসন। শুক্রবার প্রকাশিত নির্দেশিকায় রাজ্যের একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর নির্দেশ দেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি এবং আইজিপি (আইনশৃঙ্খলা)। শনিবার দুপুর ২টোর মধ্যে তাঁদের সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। ওই আধিকারিকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারের দপ্তর।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিজি (কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স) অজয় নন্দ নজর রাখবেন মালদহর পরিস্থিতির উপর। তাঁকে সহায়তা করবে সিআইএফের সদস্যরা এবং জেলা পুলিশের এক অফিসার। রাজ্য পুলিশের আইজিপি (ট্র্যাফিক) গৌরব শর্মার দায়িত্বে থাকবে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা ও সদর দপ্তর। স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর দায়িত্ব সামলানো অজয়ের বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় পুলিশও তাঁকে সহযোগিতা করবেন।
ডিআইজি (সদর দপ্তর) রশিদ মুনির খান সামলাবেন মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। বহরমপুরের সদর দপ্তরও থাকবে তাঁর অধীনে। তাঁকে সহায়তা করবে র‌্যাফের দুই সেক্টর এবং স্থানীয় অফিসাররা। ডিআইজি (উপকূল নিরাপত্তা) সুনীলকুমার যাদবের কাঁধে পড়েছে কোচবিহার-এর দায়িত্ব। র‌্যাফ ও স্থানীয় পুলিশ তাঁর সঙ্গে কাজ করবে।
শনিবার রাজ্যে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, যদিও তা সম্পূর্ণ নয়। তালিকা ঘিরে কিছু এলাকায় উত্তেজনার আশঙ্কা করছেন পুলিশের একাংশ। সেই কারণেই আগাম সতর্কতা হিসেবে শীর্ষ আধিকারিকদের ময়দানে নামানো হয়েছে।  এই আবহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে কলকাতা পুলিশ-ও। শহরের নতুন কমিশনার সুপ্রতিম সরকার জানান, ‘পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’