ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রাতঃরাশ সারলেন রাস্তার ধারের সাধারণ দোকানে, মেনু বিলাসহীন

তিনি রাজ্যের পরিষদীয় ও পর্যটনমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যও। উত্তরবঙ্গের নেতা। লড়াই-আন্দোলন করে উঠে এসেছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও গ্রহণযোগ্য মুখ। আর তাঁকেই দেখা গেল প্রাতঃরাশ করতে রাস্তার সাধারণ দোকানে। পথচলতি মানুষ প্রথমে বুঝতে পারেননি। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখলেন, রাজ্যের মন্ত্রীকে। তাতে অনেকে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। তবে মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নানা কথাও বললেন। হ্যাঁ, তিনি শংকর ঘোষ। সংবাদমাধ্যমে সেই ছবি ধরাও পড়েছে।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ শংকর ঘোষকে রবিবার প্রাতঃরাশ করতে দেখা গেল রাস্তার ধারের একটি ছোট্ট অস্থায়ী দোকান থেকে। রাস্তার ধারে বেঞ্চে বসেই শংকর ঘোষ খাচ্ছেন মুড়ি-ঘুগনি, ডিম সিদ্ধ। কিন্তু কেন এমন করলেন? সহজভাবেই মন্ত্রী বললেন, ‘খিদে পেয়ে গিয়েছিল।’ শিলিগুড়ি শহরে রবিবার এভাবেই দেখা গেল রাজ্যের মন্ত্রীকে। তিনি একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু খিদে পেয়ে গিয়েছিল মন্ত্রীর। তাই খিদে মেটাতে রাস্তার ধারের দোকান থেকে খেয়ে নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী। এই ঘটনা রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে সমাজমাধ্যমেও। যা নিয়ে ছুটির দিনে চর্চা তুঙ্গে।

অন্যদিকে শংকর ঘোষ সাধারণ জীবনযাপন করেন। কোনও বিলাসিতা তাঁর মধ্যে দেখা যায়নি। মন্ত্রী হওয়ার পরও তা রয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝে থেকেই কাজ করতে ভালবাসেন তিনি। আর তাই অস্থায়ী দোকানের বেঞ্চে বসে প্রাতঃরাশ করা তাঁর কাছে খুব স্বাভাবিক বিষয়। সাধারণ মানুষের কাছে সেটা চমকে যাওয়ার মতো হতেই পারে। এখন তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। অনেক কাজ। ব্যস্ততাও চরমে উঠেছে। তাই সময় নষ্ট না করে পথের ধারে দোকানে বসেই সেরে নিলেন সকালের জলখাবার।


তাছাড়া মাটির কাছাকাছি থাকলে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করতেও সুবিধা হয়। শিলিগুড়ি এলাকার মানুষজন তাঁকে বরাবরই পথে নেমে কাজ ও আন্দোলন করতে দেখেছেন। এবারের নির্বাচনে জিতে রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পরেও মাটিতে নেমেই কাজ করছেন। তাই রাস্তার ধারের ছোট্ট দোকানের বেঞ্চে বসে প্রাতঃরাশ সেরেছেন মন্ত্রী শংকর ঘোষ। মুড়ি-ঘুগনি আর সিদ্ধ ডিম খেয়ে কাজে বেরিয়ে পড়লেন মন্ত্রী। মন্ত্রীকে এভাবে রাস্তার ধারে বসে খেতে দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। অনেকে আবার তখন কুশল বিনিময়ও করেছেন। মন্ত্রীও খেতে খেতেই তাঁদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেছেন। রবিবার তাঁর জনতার দরবার ছিল। সেখানেও পৌঁছে মনুষের অভাব-অভিযোগ শুনেছেন।