এসআইআর: কাজল শেখের পর শুনানিতে ডাক পেলেন তাঁর বৃদ্ধা মা

এসআইআর শুনানিতে সোমবার ডাক পেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। এবার ডাক পেলেন তাঁর ৯০ বছরের বৃদ্ধা মা। আগামী ২৮ জানুয়ারি এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার কথা বীরভূমেরর তৃণমূল নেতার। আর ওই একই দিনে হাজিরা দিতে হবে তাঁর বৃদ্ধা মা সাদেকা বিবিকেও।

সোমবার নোটিস পেয়েছিলেন কাজল শেখ আর মঙ্গলবার নোটিস পেলেন তাঁর মা। শুনানিতে মাকে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডাকায় স্বাভাবিক ভাবে ক্রুদ্ধ কাজল শেখ। এই বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। ধিক্কার জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ছিঃ, বিজেপি ছিঃ, ধিক্কার জানাই।‘

সোমবার নোটিস পেয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। তিনি বলেছিলেন,‘বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলি, তাই নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমি রোহিঙ্গা নই, বাংলাদেশিও নই৷ চোদ্দগুষ্টির নথি নিয়ে শুনানিতে যাব৷ যা নথি চাইবে সবই আছে দেব৷’  বিজেপিকে বিঁধে তিনি বলেন, ‘বিজেপির কাছে মাথানত করতে পারব না৷ ইডি-সিবিআইকে দিয়ে আমাকে কোনও কিছুতে জড়াতে পারেনি৷ তাই এসআইআর শুনানি নোটিস দিয়েছে।‘


কাজ শেখের মায়ের বয়স ৯০ বছর। বৃদ্ধা মাকে শুনানিতে ডাকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাজল। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দাদা একজন জওয়ান ছিলেন। বাম জমানায় তিনি ‘খুন’ হয়েছিলেন। ২০০০ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের পেনশন চালু হয়। ছেলেন পেনশন মায়ের কাছে জমা হয়। পেনশনের কাগজপত্র মা সাদেকা বিবির কাছে আছে বলে জানান তৃণমূল নেতা। তারপরও বৃদ্ধা মাকে শুনানিতে কেন ডাকা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর বৃদ্ধৃ-বৃদ্ধাদের শুনানি তাঁদের বাড়িতে হওয়ার কথা জানিয়েছিল কমিশন। কমিশনের আধিকারিকরাই শুনানি করতে বাড়িতে যাওয়ার কথা।কাজল শেখের বাড়িতে কি বৃদ্ধা মায়ের শুনানি হবে, সে নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। কাজল শেখ জানিয়েছেন, তিনি বৃদ্ধা মাকে নিয়ে এসআইআর-এর শুনানিতে যাবেন। অন্যদের সঙ্গে তাঁর মাও শুনানির লাইনে দাঁড়াবেন। ছেলের মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া পেনশনের কাগজ  নথি হিসেবে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা।