রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গেরুয়া পোশাকে শপথ নেওয়ার সময় উপস্থিত জনতার উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড চত্বর। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আর এ রবি। মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু শপথ গ্রহণ করেন। সাঁওতালি ভাষায় শপথবাক্য পাঠ করেন বাঁকুড়ার রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্রিগেডে ছিল বাঙালিয়ানার বিশেষ আবহ। কীর্তন, বাউল গান, ছৌ নাচ এবং ধামসা-মাদলের তালে জমে ওঠে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মঞ্চসজ্জাতেও ফুটে ওঠে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ছাপ। ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি, পাশাপাশি দক্ষিণেশ্বর মন্দির ও দেবী দুর্গার ছবির কোলাজ।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ভিভিআইপি অতিথি। মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানানো হয় শিলিগুড়ির প্রবীণ ব্যক্তি মাখনলাল সরকারকে, যিনি একসময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গী ছিলেন। জানা যায়, দিল্লিতে দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের আমলে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে তাঁকে সংবর্ধনা জানান নরেন্দ্র মোদী । শুধু তাই নয়, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মঞ্চেই তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রী।