সফরের শুরুতে মল রোডের কাছে হর্ষবর্ধন শ্রিংলার বাসভবন ‘আইভানহো’-তে যান সার্জিও গোর ও তাঁর (Sergio Gor) প্রতিনিধি দল। সেখানে তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ক্যাসলটন ফার্স্ট ফ্লাশ চায়ের সঙ্গে মোমো-সহ স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেন রাষ্ট্রদূত (Sergio Gor)। দার্জিলিংয়ের শান্ত পরিবেশ ও মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তার প্রশংসা করেন তিনি।
এরপর ঐতিহাসিক মল রোডে বেরিয়ে পাহাড়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি খুব কাছ থেকে দেখেন। এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্বীকৃত দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের বিখ্যাত টয়ট্রেনে ভ্রমণ। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে ঐতিহ্যবাহী এই ট্রেনে সফর করে দার্জিলিংয়ের ইতিহাস ও জীবন্ত ঐতিহ্যের অভিজ্ঞতা নেন তিনি।
পাহাড়ের ভবিষ্যৎ এবং তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা নিয়েও শিক্ষার্থী ও স্থানীয় যুবক-যুবতীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত (Sergio Gor)। একবিংশ শতাব্দীর ভারতের রূপকার হিসেবে যুবসমাজের গুরুত্ব তুলে ধরে আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁদের জন্য তৈরি হওয়া বিভিন্ন সুযোগের কথাও বলেন তিনি।
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা দার্জিলিংয়ের পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁর (Sergio Gor) আশা, পাহাড়ের সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃহত্তর আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সফর শেষে সার্জিও গোর জানান, দার্জিলিং সফরের অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আরও বেশি সংখ্যক মার্কিন পর্যটক যাতে দার্জিলিংয়ের শান্ত, মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে আসেন, সেই আশাও প্রকাশ করেন তিনি।