পুলিশ ও কমিশন একযোগে রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে, অভিযোগ মীনাক্ষীর

পুলিশ ও কমিশন একযোগে রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও হিংসার পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে এই অভিযোগ করলেন উত্তরপাড়ার সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। শনিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে সভা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মমতার সভা চলাকালীন কিছুটা দূরেই বিজেপির সভা চলছিল। বিজেপির সভার মাইকের প্রচণ্ড আওয়াজে ভাষণ না দিয়েই সভা ছেড়ে চলে যান মমতা।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরের সভায় বিজেপির বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মীনাক্ষী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে রাজ্যে একটা অস্থিরতা তৈরি করছে। রাজনৈতিক হিংসার বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। তবে ৪ মে-র পর রাজ্যে পরিস্থিতি বদলে যাবে। দুষ্কৃতী রাজের অবসান ঘটে লাল আবির উড়বে।’

২ দিন আগে রাজ্যে প্রচারে এসে ‘বুলডোজার’ নীতির কথা বলেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যোগীকে কটাক্ষ করে মীনাক্ষী বলেন, ‘এ রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার ছিল বলে বস্তি অঞ্চলের মানুষ জমির পাট্টা পেয়েছিলেন। আর বিজেপি গোটা দেশে কয়েক লক্ষ বস্তি বুলডোজার চালিয়ে উচ্ছেদ করেছে।’


শনিবার কোন্নগরে এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি চতুর্থবার সরকার গড়লে হিন্দুস্তান মোটর্সের জমিতে, সিঙ্গুর ও ডানকুনিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব হবে। সেখানে বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ওই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে মীনাক্ষী প্রশ্ন তোলেন, ‘১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন কেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব তৈরি হল না?’ সিপিএম নেত্রীর অভিযোগ, হিন্দুস্তান মোটর্সের ফাঁকা জমিতে দুষ্কৃতীদের রাজত্ব তৈরি হয়েছে।