রবিবাসরীয় ছুটির সকালে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে নিউটাউনে আয়োজন করা হয় সাইকেল র্যালির। ‘সানডে অন সাইকেল’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তবে তিনি মোটরবাইক চালাতেও ভালবাসেন। মন্ত্রী হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, ৫৩ লক্ষ টাকার মোটরবাইক কিনে ঘুরে বেরিয়ে ছিলেন তিনি। ইকোপার্কে দিলীপের সেই মোটরবাইক চালানো রীতিমতো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।
এদিকে ‘স্বচ্ছ গ্রাম, সুরক্ষিত জলবায়ু’র মন্ত্রকে পাথেয় করে পরিবেশের যত্ন ও পরিবেশের প্রতি ভালবাসা ছড়িয়ে দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউটাউন ইসকন থেকে শুরু করে র্যালি শেষ হয় ইকোপার্কে এসে। প্রায় ২০০ জন এই সাইকেল র্যালিতে অংশ নিয়েছিলেন। ফিট ইন্ডিয়া, ইসকনের একাধিক সদস্য, বহু পড়ুয়া র্যালিতে অংশ নিয়েছিলেন। রং-তুলি দিয়ে পথে আলপনা এঁকে সেজে উঠেছিল সাইকেল র্যালির স্টার্টিং পয়েন্ট।
অন্যদিকে রবিবার নিউটাউনের প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই বিদেশি একটি কোম্পানি নিজেদের মোটরবাইক প্রদর্শন করে। উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ নিজে। এখানেই সাংবাদিকদের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, ‘ট্রাফিক আইন মেনে সকলে যেন গাড়ি চালায়। একটি বিদেশি কোম্পানি দামি মোটরবাইকের র্যালি করল। নতুন সরকার যেদিন এসেছে সেদিন অনেক গেরুয়া রঙের মোটরবাইক কিনেছে। ২০০০ সিসির মোটরবাইক আমাদের দেশে কম আছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এটা খুবই আকর্ষণীয়। এই মোটরবাইক কিনে যাতে লোকে চালাতে পারে তার উপযুক্ত রাস্তাঘাট করে দেব।’
এছাড়া সাইকেল র্যালি নিয়েও অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ইকোপার্কে ফিনিশিং পয়েন্টে দেখা গেল, আইফেল টাওয়ারের ধাঁচে তৈরি টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে সকলে গাইলেন বন্দে মাতরম, জাতীয় সঙ্গীত। আর এখানেই মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কদিন আগেই আমরা পরিবেশ দিবস পালন করেছি। ৩ তারিখ বিশ্ব সাইকেল দিবস ছিল। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ সারা দেশে সাইকেল দিবসের উদযাপন হবে। তার মাধ্যমে সমাজকে আমরা বার্তা দিতে চাই, প্রকৃতিকে স্বচ্ছ রাখতে হবে। নিজেকে স্বচ্ছ রাখতে হবে। প্লাস্টিক বর্জন, দূষণ না ছড়ানো, অকারণে এসি না চালানো, গাড়ি না চালানোর মাধ্যমে সেটা সম্ভব।’