বক্তব্য না শুনে একটাও নাম বাদ নয়, জানাল ট্রাইব্যুনাল

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

প্রথম দফার নির্বাচনের আগেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ নিয়ে কড়া অবস্থান নিল ট্রাইব্যুনাল। ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই নোটিস জারি করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যথাযথ নোটিস প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট ভোটারের বক্তব্য শোনা ছাড়া কোনওভাবেই কারও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পোর্টালের মাধ্যমে জমা পড়া আবেদনগুলির এনুমারেশন ফর্ম ও সংযুক্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আবেদনকারীর পরিচয় এবং তাঁদের বাবা বা মায়ের নথির মিল থাকলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০টি মামলার নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কোনও আবেদন ‘গ্রহণ’ বা ‘বাতিল’ করার কারণও স্বচ্ছতার স্বার্থে পোর্টালে উল্লেখ করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলির ভিত্তিতে একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকায় যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তারা আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে যাদের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে, সেই ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের নাম এই তালিকায় প্রকাশ করা হবে না।


যাচাই প্রক্রিয়ার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে, যা ট্রাইব্যুনালকে বিস্মিত করেছে। দেখা গিয়েছে, তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই মহিলা। এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ট্রাইব্যুনাল আরও সতর্ক হয়েছে।

প্রশাসনিক গাফিলতি বা ত্রুটির কারণে যাতে কোনও বৈধ ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের বেঞ্চ নিশ্চিত করতে চায় যে, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং আইনি বিধি মেনে সম্পন্ন হয়।