২৯ জুলাই নয়, ২ অক্টোবর বক্সা টাইগার রিজার্ভে তৈরি করা এনক্লোজারে বাঘিনী ছাড়া হবে। তবে বক্সার জঙ্গলে আপাতত একটি বাঘিনী ছাড়া হবে। এ বিষয়ে রবিবার আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত বক্সার জঙ্গলে একটি বাঘিনী ছাড়া হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।
বনকর্তাদের বক্তব্য, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যায় পড়তে হবে, তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। তাই প্রাথমিকভাবে একটি বাঘ আনা হবে। সেই বাঘ এনে পরীক্ষা করা হবে। বনকর্মীদের সংখ্যাও কম। সেই দিকটাও দেখতে হবে। যদি ওই বাঘিনী পরিবেশের সঙ্গে ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারে, তাহলে পরবর্তীকালে আরও বাঘ আনার বিষয়ে ভাববে বন দপ্তর।
বাঘের উপর নজরদারি চালাতে তিনটি দল ২৪ ঘণ্টা টহল দেবে। দলগুলিতে বনকর্মীদের সঙ্গে কুনকি হাতিও থাকবে। কিছুদিন আগে বনমন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ জানিয়েছিলেন, একটি বাঘ ও বাঘিনী ছাড়ার প্রস্তাব পাওয়া গিয়েছে। সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি বাঘিনী ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে মনোজকুমার ওরাওঁ বলেন, ‘একটি বাঘিনী ২ অক্টোবর ছাড়া হবে। ছাড়ার পর তার উপরে নজরদারি চালানো হবে। দু-তিন মাস পর আরও একটি বাঘ ছাড়া হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। বক্সায় বাঘ রাখতে গেলে যা যা করণীয়, সবটাই করা হচ্ছে।’
বক্সা টাইগার রিজার্ভ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রকের আধিকারিকেরাও যোগাযোগ রাখছেন। গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি। সমস্ত গাইডলাইন মেনে কাজ হচ্ছে কি না, সেই রিপোর্টও নেওয়া হচ্ছে। বন দপ্তর এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ২৯ জুলাই আন্তজার্তিক বাঘ দিবসের দিন বক্সার জঙ্গলে একটি বাঘিনী ছাড়া হবে। এরপরে সেই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে ২ অক্টোবর সেখানে বাঘিনী ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।