বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্যে শিল্পের গতি আসতে শুরু করেছে। এবার উত্তরবঙ্গে আমূলকে দিয়ে শিল্পে গতি আনার কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গে দুধ ও দুগ্ধজাত শিল্পকে তুলে ধরতে ফের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল আমলে ২০২০ সালে খাপরাইল এলাকায় সরকারিভাবে হিমুলের নাম বদলে বাংলার ডেয়ারি রাখা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার সেই প্রকল্পের পরিকাঠামো বদল করতে চলেছে। এবার খাপরাইল মোড়ের এই প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ৫০ হাজার লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, শুধু দুধ নয়। এর পাশাপাশি পনির, দই ও লস্যির মতো দুগ্ধজাত পণ্য উত্তরঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঠিকঠাক দামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলার ডেয়ারিতে এখন ৫-৭ হাজার লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণ হয়। তা দেখে বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য যেমন, লস্যি, দই বেশ কম তৈরি হয়। এই সুযোগেই বেসরকারি সংস্থাগুলি বেশি বাজার দখল করছে।
অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে এখন সেভাবে দুধ সংগ্রহ হচ্ছে না। এর জন্য এখন বাইরে থেকে দুধ কেনা হচ্ছে। অন্যদিকে, এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে দুধ কিনলে সেক্ষেত্রে স্থানীয়দের আয় বৃদ্ধি হয়। যাতে সেটাই হয়, এর জন্য সংস্থা সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই এগোচ্ছে। এর জন্য একটি সংস্থাকে দুধ সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে কাজ শুরুর দাবি করা হলেও সেসময় করা হয়নি। রাজনৈতিক চাপ-সহ বিভিন্ন কারণে আধিকারিকরা কাজ শুরু করতে পারেননি। বর্তমানে তা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে জনধন যোজনার আওতায় ৩.৭৬ কোটি রুপে কার্ড, দেশে তৃতীয় স্থানে রাজ্য
রাজ্যের অর্থ ও পরিবহণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন বলেছেন, ‘প্রকল্পের বরাদ্দ যেহেতু রয়েছে, কাজ করতেই হবে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রেখে উন্নয়নে নজর দিতে বলব। প্রকল্পটি আমার বিধানসভা এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে জানিয়ে সেখানে গিয়ে খোঁজ নেব।’