লাইনচ্যুত ফারাক্কা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন, বালুরঘাটে চাঞ্চল্য

Photo: Facebook

কারশেডে নিয়ে যাওয়ার সময়ে দুর্ঘটনা। সেই সময়ে বেলাইন ফারাক্কা এক্সপ্রেস। তবে যাত্রী নামিয়ে ট্রেনটি কারশেডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই মুহূর্তে ট্রেনে কোনও যাত্রী না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বালুরঘাট স্টেশনে মূল লাইন থেকে পিট লাইনে ঢোকার সময় ফারাক্কা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এই ঘটনায় সোমবার দুপুরে বালুরঘাট স্টেশনে সাময়িকভাবে উত্তেজনা ছড়ায়।

জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর ১২টার পরে ফারাক্কা এক্সপ্রেস বালুরঘাট স্টেশনে এসে পৌঁছয়। সেখানে সমস্ত যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার পর ফাঁকা ট্রেনটিকে পরিষ্কার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে ফারাক্কা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের চাকা হঠাৎই লাইন থেকে ছিটকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে চালক ট্রেনটি দাঁড় করিয়ে দেন। রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন লাইন থেকে নেমে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্টেশন চত্বরে ভিড় জমে। রেললাইনে সমস্যার জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইঞ্জিনটি কীভাবে লাইনচ্যুত হল, তা রেলের আধিকারিকেরা খতিয়ে দেখছেন। রেল সূত্রের খবর, সোমবার বিকেল ৫ টা নাগাদ বালুরঘাট থেকে দিল্লির উদ্দেশে ফারাক্কা এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা। সেই ট্রেনটি নির্ধারিত সময় ছাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


আরও পড়ুন: ‘গোল্ড ফ্লেক’ মামলায় হাইকোর্টে ধাক্কা ‘আইজেএম গোল্ড স্ট্যাগ’-এর

রেল সূত্রের খবর, লাইনচ্যুত ইঞ্জিনটিকে লাইনে ফের তোলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কাটিহার থেকে বিশেষ ট্রেন আনা হচ্ছে। সেই ট্রেনের সাহায্যে লাইনচ্যুত ইঞ্জিনটিকে ফের লাইনে তোলার কাজ করা হবে। এদিকে ফারাক্কা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনার পর রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে রেলের আধিকারিকদের তদন্তের পরেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানা গিয়েছে।