ছেলের রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক, শীঘ্রই হবে শুনানি

Photo: Facebook

পুরোনো মামলায় পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ। রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বর থেকে খড়দহ থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তীর্থঙ্কর ঘোষ। ছেলে গ্রেপ্তার হতেই কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই মামলা দায়ের করার অনুমতি চাওয়া হয়। আদালত সেই আবেদনে সম্মতি জানায়। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় উসকানি এবং লটারি জয়ী ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি টাকা ছিনতাই করার অভিযোগ ছিল তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তীর্থঙ্কর ও তাঁর দলের লোকেরা ওই লটারি জয়ী ব্যক্তি কাছ থেকে টিকিট ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে মারধর করেছিলেন। এমনকী ওই ব্যক্তির কাছ থেকে তীর্থঙ্কর টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর থেকে প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু শত চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হল না। দু’মাসের মধ্যেই গ্রেপ্তার হতে হল তীর্থঙ্করকে।

জানা গিয়েছে, তোলাবাজি, বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, লটারির টিকিট হাতিয়ে নেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে। খড়দহ থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তখন থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং তাঁর ছেলেকে খুঁজছিল পুলিশ। শুধু তাই নয়, আরজি কর কাণ্ডেও নির্মল ঘোষের নাম জড়িয়েছে। অভিযোগ, নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের দেহ পানিহাটি শ্মশানে তাড়াতাড়ি করে দাহ করার পিছনে নির্মল ঘোষও ছিলেন।


সূত্রের খবর, শনিবার ছেলেকে এবং নিজেকে বাঁচাতে ঋতব্রত গোষ্ঠীর কাছে গিয়েছিলেন বাবা নির্মল ঘোষ। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার সংবাদমাধ্যমে নিজেই জানিয়ে দেন, ‘রিজার্ভেশন আছে, ওঁকে আমরা নেব না।’ তারপরই গ্রেপ্তার হলেন তীর্থঙ্কর ঘোষ।