ঝাড়খণ্ডে পরিযায়ী শ্রমিককে অত্যাচার ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। এই ঘটনায় গর্জে উঠেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারা দাঙ্গা করেছে সেটা সবাই জানে বলে মন্তব্যও করেছিলেন তিনি। এবার সেই ঘটনার তদন্ত গেলে এনআইএ-র হাতে। শনিবার এনআইএ-র আট অফিসার বেলডাঙা পৌঁছন। সেখানে প্রথমে থানায় গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এনআইএ অশান্তি মামলায় ইউএপিএ ধারা যোগ করেছে বলে খবর।
১৬ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড থেকে এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃতদেহ বেলডাঙায় এসে পৌঁছোয়। তারপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পথ ও ট্রেন অবরোধ করে চলে ভাঙচুর। পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ তারিখও অশান্ত থাকে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। অশান্তি থাকাতে অবশেষে নামে পুলিশ। সমাজ মাধ্যম ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মোট ৩৬ জনকে।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘বেলডাঙায় কাদের প্ররোচনা সবাই জানে। আমি কিছু বলতে চাই না। ফ্রাইডে জুম্মাবার। পবিত্র বার। যেমন শিবেরও বার। দুর্গার বার। সন্তোষী মাতার বার। জুম্মার নমাজ হয়। ধরুন দুর্গাপুজো দেখতে এসেছেন কোটি কোটি লোক। তাঁদের মাঝে যদি মাইক লাগিয়ে দেন তাহলে সবাই শুনবে। ফ্রাইডে জুম্মাবার এমনিই সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট আছে। সেখানে সবাই ফ্রাইডের জুম্মাবার নমাজ পড়তে এসেছে। যদি কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে উসকে দেয়। সংখ্যালঘুদের ক্ষোভটা স্বাভাবিক। আমিও এর জন্য ক্ষুব্ধ।‘ অর্থাৎ বিজেপির উসকানি রয়েছে বলেই দাবি করেছিলেন তিনি। সেই ঘটনার তদন্তে এবার এনআইএ।
Advertisement
Advertisement



