উত্তর ২৪ পরগনায় অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নতুন নির্দেশ

উত্তর ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনের তরফে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ৪ জুন জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও অন্যান্য দায়িত্বে নিযুক্ত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও), অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অন্যান্য  কর্মীরা আগের মতোই কাজ চালিয়ে যাবেন।

তবে প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে যুক্ত কর্মীদের জন্য যে ‘অন ডিউটি’ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিয়মিত সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি এই প্রকল্পের কাজও সম্পাদন করতে হবে। জেলা প্রশাসন সমস্ত সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে নির্দেশ দিয়েছে যাতে অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ নির্বিঘ্নে চলতে থাকে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব সম্পন্ন হয়।


বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে দেওয়া শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের সংকল্পপত্রে জানিয়েছিল, অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মেয়েদের মাসে তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেই মতোই আজ, ৩ জুন, বুধবার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জন মহিলার অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

নবান্নে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব, অর্থসচিব-সহ সমস্ত আধিকারিকদের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের সূচনা হল। যারা যোগ্য সবাই এর সুযোগ পাবেন।‘ মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘অন্নপূর্ণা যোজনায় নতুন করে ফর্ম দেওয়া হয়েছে। প্রথম থেকে নথিভুক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে।‘ তিনি আরও বলেন, ‘এসআইআর পরবর্তী সয়ম বহু ভোটারের নাম স্থায়ীভাবে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এমন লক্ষ লক্ষ ব্যক্তি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ একাধিক সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন। আমরা চাই না কোনও অভারতীয়র অ্যাকাউন্টে সরকারের টাকা যাক।‘পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে এগোচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনলাইন এবং অফলাইনে ফর্ম পাওয়া যাবে।