বঙ্গভবনের পাশাপাশি এদিন সংসদের ভিতরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংসদে সরব হন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কার্যত দিল্লিকে ভিতর ও বাইরে ঘিরে ধরার কৌশল নিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
এসবের মাঝেই লোকসভায় যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুরু হয় বাজেট অধিবেশন। সেখানের সংসদের ভিতরে তখন বক্তৃতা দিতে উঠছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, নিজের আসনে এসে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। ঠিক সেই মুহূর্তে আচমকা পরিস্থিতি উত্তাল করে তোলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ওয়েলে নেমে ধিক্কার স্লোগান তুলতে দেখা যায় তাঁকে। কয়েক হাত দূরেই বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের আসনে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। মিনিট কয়েকের মধ্যেই উত্তেজনা প্রশমিত হয়। তার পরেই বক্তৃতা শুরু করেন রাহুল গান্ধী।
ফলে সোমবার সকাল থেকেই কার্যত সরগরম হয়ে রইল দিল্লির রাজনীতি। বঙ্গভবন থেকে সংসদের ওয়েল— ‘ঘরে বাইরে’ দু’দিকেই একসঙ্গে চাপ বাড়িয়ে দিল্লির রাজনৈতিক ময়দানে শক্ত অবস্থানে তৃণমূল। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীতে দলের এই দ্বিমুখী আক্রমণ কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।