আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে যায় মোমো তৈরির কারখানা ও গুদাম। রবিবার গভীর রাতে ওই গুদামে আগুন লাগে। মঙ্গলবার ওই কারখানায় যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দমকল বিভাগের ডিজি। কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না বলে জানিয়েছেন দমকলের ডিজি। সেই সময় দমকলমন্ত্রীও সেখানে ছিলেন। অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
এদিন বেলা ১১টার সময় নাজিরাবাদের ঘটনাস্থলে যান সুজিত বসু। গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। সর্বস্ব হারানো মানুষগুলোর সঙ্গে কথা বলেন দমকলমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই দমকলের ১২টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায়, পরে ইঞ্জিন আরও বাড়ানো হয়। সারারাত কাজ করেছেন দমকল কর্মীরা। গতকাল ২৬ জানুয়ারি থাকায় অনেক জায়গায় ছুটি ছিল।
সেসব বাতিল করেই দমকল বিভাগ যথেষ্ট পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করে আগুন নিভিয়েছে। কারখানার দরজা, জানলা কেটে কেটে উদ্ধার করা হয়েছে সকলকে। তবে এখনও কয়েকজন নিখোঁজ। আমরা সব খবর রাখছি।‘ দমকলের অনুমোদন ছাড়া কারখানা, গুদাম কীভাবে চলছিল এতদিন ধরে? এনিয়ে সুজিত বসুর বক্তব্য, ‘আইনগতভাবে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, আমরা তা নিচ্ছি। সেইমতো পদক্ষেপ করা হবে। এফআইআর দায়ের করে তদন্ত হবে।‘
আনন্দপুরের নাজিরাবাদে একটি নামী খাবারের কারখানা ও গুদাম রয়েছে। তবে দমকলের অনুমোদন ছিল না বলে খবর। রবিবার গভীর রাতে সেখানে আগুন লাগে। আগুনে কমপক্ষে ৮ জানা মারা গেছে বলে খবর। নিখোঁজের সংখ্যা ২৫। এই কারখানার শ্রমিকরা বেশিরভাগই পূর্ব মেদিনীপুরের। মঙ্গলবার বেলায় দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু সেখানে গেলে বিজেপিরা বিক্ষোক্ষ দেখায়। তবে শেষপর্যন্ত সেখানকার মানুষদের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।