আসামে নিহত কোচবিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

প্রতীকী চিত্র

পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু মিছিল লেগেই রয়েছে।  ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার পরিযায়ী শ্রমিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের।  এবার বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামে গিয়ে মৃত্যু হল  কোচবিহারের এক পরিযায়ী শ্রমিকের। আসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে ওই যুবকের দেহ। পরিবারের দাবি, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, খুন। ওই মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

মৃতের নাম হিমাঙ্কর পাল। বয়স ৩৫ বছর। তাঁর বাড়ি কোচবিহার জেলার শীতলকুচি ব্লকের কুশরামারি গ্রামে। রবিবার আসামের গোয়ালপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।পরিবার সূত্রে খবর, গত ৮–১০ বছর ধরে অরুণাচল প্রদেশে রঙের কাজ করতেন হিমাঙ্কর। কিছু দিন আগে বাড়ি ফিরলেও গত বৃহস্পতিবার আবার কাজের সন্ধানে ভিন্‌রাজ্যে রওনা দেন। তবে সেখানে কাজ না পাওয়ায় পর দিন বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময়ে বাবার সঙ্গে শেষ বার ফোনে কথা হয় তাঁর।

মৃতের বাবা নীতীশ পালের দাবি, ‘ছেলে ফোনে জানিয়েছিল, গাড়ির চালক আমাকে মারছে, টাকাও চাইছে।’  খবর পেয়ে মৃতের বাড়ি যান তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি চন্দন প্রামানিক-সহ দলের পদাধিকারীরা। চন্দনের অভিযোগ, ‘বিজেপিশাসিত অসমে বাঙালি বলেই অত্যাচার করে খুন করা হয়েছে হিমাঙ্করকে। ভিন্‌রাজ্যে একের পর এক বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যু কখনওই মেনে নেওয়া যায় না।’


বিজেপির জেলা সভাপতি উৎপল দাস তৃণমূলের অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘রাজ্যে চাকরি নেই এই কারণেই বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে কাজের জন্য তাঁদের যেতে হচ্ছে। কেন রাজ্যে কাজ নেই, তা না দেখে বিজেপির বিরুদ্ধে ভ্রান্ত অভিযোগ তুলে রাজনীতির হাওয়া গরম করতে চাইছে তৃণমূল।’