মঙ্গলবার ফের মেট্রো বিভ্রাট। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বন্ধ হয়ে যায় ব্লু লাইনের একটা বড় অংশের পরিষেবা। মহানায়ক উত্তমকুমার স্টেশন থেকে ময়দান পর্যন্ত পরিষেবা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। ব্যস্ত সময়ে মেট্রো না পেয়ে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, বিদ্যুৎ সংযোগে ত্রুটির কারণেই ব্যাহত হয়েছে পরিষেবা। প্রায় দু’ঘণ্টা পরে সকাল পৌনে নটা নাগাদ স্বাভাবিক হয়ে যায় পরিষেবা।
সূত্রের খবর, এ দিন সকালে নেতাজি ভবন এবং রবীন্দ্র সদন স্টেশনের মাঝে সুড়ঙ্গের ভিতরে আচমকাই দাঁড়িয়ে পড়ে একটি ট্রেন। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় সুড়ঙ্গ থেকে সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নেতাজি ভবন স্টেশনে বের করে আনা হয়েছে।
মেট্রো রেল সূত্রে খবর, পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যার কারণে সেন্ট্রাল থেকে মহানায়ক উত্তমকুমার স্টেশন পর্যন্ত প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে পরিষেবা। তার পরে ভাঙা পথে ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলছিল।
মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণেই দিনের ব্যস্ত সময়ে মেট্রো পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটেছে। ইঞ্জিনিয়াররা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সারাইয়ের কাজ করে পরিস্থিতি সামাল দেন। বর্তমানে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।
শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম ব্লু লাইন মেট্রো। ইদানিং প্রায়শই মেট্রো বিভ্রাটে যাত্রীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মেট্রো না চলায় বহু স্টেশনেই অপেক্ষা করতে থাকেন যাত্রীরা। পরিষেবা সম্পূর্ণ চালু হওয়ার অপেক্ষা না করে অনেকেই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য অন্য রাস্তা বেছে নেন। চড়া দামে ক্যাব বুক করে কেউ গন্তব্যে পৌঁছন। কেউ বা উঠে পড়েন ভিড়ে ঠাসা বাসে। সবমিলিয়ে মেট্রো যাত্রীদের দিনটা শুরু হয় চরম ভোগান্তি দিয়ে।