বঙ্গের আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নির্বাচনী প্রচারও। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারে বাড়ছে তীব্রতা। শাসকদলের পক্ষে রাজ্যের নানা প্রান্তে জনসভা ও রোড শো করছেন দলের শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে, বিজেপি তাদের প্রচারে ভরসা রাখছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর, যারা প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যে এসে সভা করছেন।
আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির তারকা প্রচারকদের তালিকায় একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। সেই তালিকায় রবিবার প্রথম দফায় প্রচারে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর বক্তব্যে ফের শোনা যায় ‘বুলডোজার নীতি’র উল্লেখ, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সিউড়িতে প্রচারে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের দল কোনওভাবেই বুলডোজারের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিকতার রাজনীতিতেই আস্থা রাখে। পাশাপাশি তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, টাকা বা প্রলোভনে পা না দিতে, কারণ পরে কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে হয়রানির আশঙ্কা থাকতে পারে।
সিউড়ি কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় হলেও, সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা জানান, এই আসনে তাঁকেই প্রার্থী হিসেবে ভাবতে পারেন ভোটাররা। তাঁর কথায়, রাজ্যের সবকটি আসনেই তাঁকে সামনে রেখেই লড়াই করছে তৃণমূল। এই বার্তা দিয়েই তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।