• facebook
  • twitter
Sunday, 8 March, 2026

নারীদিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা মমতার

সরকার সবসময় সমাজের সব স্তরের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে, অথচ কেন্দ্রের নীতির ফলে সাধারণ মানুষ প্রায়ই সমস্যার মুখে পড়ছেন

ধর্মতলার মঞ্চে মমতা।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন। এই বার্তায় তিনি রাজ্যের নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমর্থনের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনাও করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, তাঁর সরকার সবসময় সমাজের সব স্তরের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে, অথচ কেন্দ্রের নীতির ফলে সাধারণ মানুষ প্রায়ই সমস্যার মুখে পড়ছেন।

সম্প্রতি গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও তিনি সরব হয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ভারতের বাজারে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী এদিন রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেন। তিনি জানান, বাংলার নারীরা কালো শাড়ি পরে পথে নেমে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন। তাঁর মতে, গ্যাসের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে।

Advertisement

নিজের বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বাংলার গৌরবময় ইতিহাসের কথাও স্মরণ করেন। এদিন তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে স্বাধীনতা সংগ্রামী, মনীষীদের প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন,  ‘আমি কুর্নিশ জানাই এই বাংলার মাটিকে – এ মাটি প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মাটি, এ মাটি মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, এ মাটি কল্পনা দত্ত, বীণা দাশ, সুনীতি চৌধুরীর মাটি, এ মাটি মাদার টেরিজার মাটি।‘

Advertisement

এছাড়াও তিনি রাজ্যে নারীদের জন্য চালু হওয়া বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, লক্ষ্মী ভাণ্ডার প্রকল্পে বর্তমানে প্রায় ২ কোটি ৪১ লক্ষ মহিলা উপকৃত হচ্ছেন। তফসিলি জাতি ও আদিবাসী পরিবারের মহিলারা মাসে ১৭০০ টাকা এবং অন্যান্যরা ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের স্মার্টকার্ড পরিবারের মহিলা সদস্যদের নামে দেওয়া হয়েছে, যা ইতিমধ্যে প্রায় ২ কোটি ৪২ লক্ষ মহিলার হাতে পৌঁছেছে।

শিক্ষাক্ষেত্রেও মেয়েদের উৎসাহ দিতে কন্যাশ্রী প্রকল্প, রূপশ্রী প্রকল্প এবং সবুজ সাথীর মতো প্রকল্প চালু রয়েছে। নারীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্প্রতি  অপরাজিতা বিল পাশ হয়েছে এবং রাজ্যে ৪৯টি মহিলা থানা ও ৫২টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

 

 

Advertisement