প্রজাতন্ত্র দিবসে ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিলেন মমতা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (File Photo: IANS)

ছাব্বিশে জানুয়ারি ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবসে রেড রােডের অনুষ্ঠানটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা হল। এদিনই সকালে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্যাপন মঞ্চে পা রাখার আগে মুখ্যমন্ত্রী সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দিয়েছিলেন টুইটে লিখেছিলেন ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য এবং সৌভ্রাতৃত্ব অর্থাৎ জাস্টিস, লিবার্টি, ইকুয়ালিটি এবং ফ্লেটারনিটি –সংবিধানে উল্লেখিত এই চার আদর্শকে মর্যাদা দিতে হবে আমাদের। আর তা এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে সকলকে। প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি ওইদিনের কুচকাওয়াজ নেতাজির উদ্দেশে উৎসর্গ করার কথা ঘােষণা করেন।

সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার রেড রােডের শােভাযাত্রাকে রূপদান করা হয়েছিল। কোভিড বিধি মেনেই পতাকা উত্তোলনের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করােনা পরিস্থিতিতে এদিন প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে সাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল না। ভিআইপি অতিথিদের প্রবেশেও বিধিনিষেধ আরােপ করা হয়েছিল। ফলে প্রায় দশকন্যভাবে রেড রােডের অনুষ্ঠান হলেও বর্ণময়তায় খামতি ছিল না।

দুরত্ববিধি মেনেই কুচকাওয়াজ করেন সেনা জওয়ানা। ছিল একুশটি ট্যাবলাে। তার মধ্যে বেশির ভাগেরই বিষয়বস্তু ছিল রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প। ছিল কন্যাশ্রী নিয়ে তৈরি ট্যাবলাে। নজর কেড়েছিল ছিল দুয়ারে সরকার এবং পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ -এর ট্যাবলাে। নেতাজির ছবিতে সাজানাে ট্যাবলােও ছিল। তবে করােনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অনুষ্ঠানের সময়সীমায় কাটছাঁট করে তিরিশ মিনিটের মধ্যেই শেষ করা হয়েছিল অনুষ্ঠান।


অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাত ভুলে রাজভবনে রাজ্যপালের ডাকা চা চক্রের অনুষ্ঠানে যােগ দিয়েও সৌভ্রাতৃত্বেরই বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রাজভবনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাপচারিতা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৪৫ মিনিট চলে এই চা চক্রের অনুষ্ঠান। গত পনেরােই আগস্ট রাজভবনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নির্বাচনের আগে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে এবার আর রাজ্যপালের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালেন না মুখ্যমন্ত্রী।